জাতীয়

অবশেষে উচ্ছেদ করা হল জিয়া তোরণ

jiyaঅবশেষে ভৈরবের সেই জিয়া তোরণ উচ্ছেদ করলেন পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট ফখরুল আক্কাছ। বুধবার সকাল ১০ টায় ভৈরব পৌরসভার মেয়র এড. ফখরুল আলম আক্কাছ ঘটনাস্থল চন্ডিবের এলাকায় নিজে উপস্থিত থেকে জিয়া তোরণটি উচ্ছেদ করলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সুলায়মান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সেন্টু, পৌর প্যানেল মেয়র মো. আল আমিন, শহর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভসহ পৌরসভার প্রকৌশলী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, ঠিকাদারের লোকজন, স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীসহ এলাকাবাসী উপস্থিত থেকে তোরণটি ভেঙ্গে দিতে সহযোগিতা করেন। জনস্বার্থে চন্ডিবের এলাকায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করতে তোরণটি উচ্ছেদ করলেন পৌর কর্তৃপক্ষ।

ভৈরব শহরের চন্ডিবের ফেরীঘাট এলাকার রাস্তার উত্তর সাইডে ড্রেন করতে হলে তোরণটি উচ্ছেদ করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলনা বলে জানান মেয়র। মঙ্গলবার সকালে পৌর কর্তৃপক্ষ জিয়া তোরণটি ভেঙ্গে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করলে স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর প্যানেল চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম তার দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকদেরকে বাধা দেয়।

এসময় তারা মেয়রের বিরুদ্ধে শহরে একটি মিছিল করে প্রতিবাদ জানায়। বিএনপির নেতাদের দাবী ছিল জিয়ার নাম মুছে ফেলতেই তোরণটি উচ্ছেদ করছে মেয়র। অপরদিকে মেয়র বলছে সময়ের প্রয়োজনে জনস্বার্থে রাস্তা প্রশস্তসহ ড্রেন নির্মাণ করতেই তোরণটি ভেঙ্গে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। বুধবার সকাল থেকে বেলা ১২ টার মধ্য তোরণটি ভেঙ্গে দেয়া হয়।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে ওই এলাকায় ২০০৬ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই তোরণটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এবিষয়ে ভৈরব পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফখরুল আলম আক্কাছ জানান, ইতিপূর্বে ভৈরব শহরের উন্নয়ন, সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি, যানজট কমানো, রাস্তা প্রশস্থ করতে শহরের ভৈরবপুর এলাকায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু তোরণ ও সোহরাওয়ার্দী তোরণও জনস্বার্থে আমি ভেঙ্গে দিয়েছি।

আমি হিংসামী করে তোরণটি উচ্ছেদ করেনি। ফেরিঘাট এলাকায় প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ করার ফলে এলাকাবাসী জলাবদ্ধতা ও যানজট থেকে মুক্তি পাবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন বিএনপির নেতারা উন্নয়ন চায় না বলেই একাজে বাধা দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চায়। পৌর মেয়র হিসেবে জনগণের উন্নয়নমুলক কাজ করতে জনগণ আমাকে ভোট দিয়েছে।

জুমবাংলানিউজ/এআর