স্বাস্থ্য

কোষ্ঠকাঠিন্য সম্পর্কে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

কোষ্ঠকাঠিন্য একটি প্রচলিত সমস্যা। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ভালোভাবে জীবনযাপন করাটাও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। অনেক সময় এটি থেকে ক্যানসারও হতে পারে। শৌচাগারে লম্বা সময় কাটিয়েও অনেক ক্ষেত্রে মল পরিষ্কার হয় না। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পরীক্ষার হল, অফিস বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যেতে এ কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের শিকার হতে হয়। সেই সঙ্গে শরীরে দেখা দেয় নানা রকম অসুবিধা। অনেকে তো কোষ্ঠকাঠিন্যের ভয়ে নানা ধরনের খাবার খাওয়াও ছেড়ে দেন। তবে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ধরন পরিবর্তন করে কোষ্ঠকাঠিন্য ঠিক করা যায়।

সারা বিশ্বে অসংখ্য মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন৷ হয়তো আপনিও এই সমস্যায় ভুগছেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে বেশ কিছু ভুল ধারণাও রয়েছে অনেকের৷ তাহলে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্যই লেখা। জেনে নিন সেরকম কিছু ভুল ধারণার কথা-

১। প্রতিদিনই মলত্যাগ করা জরুরি-

প্রতিদিনই মলত্যাগ করতে হয় – এটা ভুল ধারণা৷ চিকিৎসা শাস্ত্র মতে, সপ্তাহে তিন থেকে চারদিন মলত্যাগ করাই যথেষ্ট৷ তবে এর চেয়ে কম হলে সমস্যাটিকে ‘কোষ্ঠকাঠিন্য’ বলা যায়৷

২। আঁশযুক্ত খাবার পেট ভালো রাখে-

সাধারণ নিয়মে আঁশযুক্ত খাবার পেটকে সচল বা ভালো রাখে বটে, তবে যাদের পেট বা অন্ত্রে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এ কথা ভুল৷

৩। সহজে মলত্যাগ-

সহজভাবে মলত্যাগ না হলে অনেকেই বিভিন্ন ওষুধ সেবন করে থাকেন৷ তবে এ সব ওষুধ নিয়মিত বা বেশিদিন গ্রহণ করা উচিত নয় বলে অনেকের যে ধারণা, তা ভুল৷ এক সমীক্ষায় জানা গেছে৷

৪। মানসিক চাপে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়-

অবাক হলেও এ কথা সত্যি৷ নিয়মিত মানসিক চাপ শরীরের নার্ভাস সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে৷ এবং এ কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে৷

৫। কোষ্ঠকাঠিন্যতে কি নারীরাই বেশি ভোগেন-

এ সমস্যায় সকলেই ভুগতে পারেন৷ তবে নারীদের মাঝে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে বিশেষ করে ঋতুস্রাব ও মেনোপজের সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি দেখা যায়৷

-ডিডাব্লিউ

Add Comment

Click here to post a comment