লাইফ স্টাইল

শীতের ফুল

22ফুল ভালোবাসে না হয়তো এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না। আর শীত আসে যেন ফুলের ভেলায় চড়ে। নানারকম বাহারি ফুলে ছেয়ে যায় প্রকৃতি। খুব সহজেই বাসার আশপাশে, ফ্ল্যাটের বারান্দায় বা ছাদে অল্প স্থানে চাষ করা যায় শীতকালীন ফুলের।

শীতের ফুলের মধ্যে গাদা, ডালিয়া ও চন্দ্রমল্লিকা অন্যতম। এছাড়া কসমস, পপি, গাজানিয়া, স্যালভিয়া, ডায়ান্থাস, ক্যালেন্ডুলা, পিটুনিয়া, ডেইজি, ভারবেনা, হেলিক্রিসাম, অ্যান্টিরিনাম, ন্যাস্টারশিয়াম, লুপিন, কারনেশন, প্যানজি, অ্যাস্টার ইত্যাদি ফুল ফোটে।

নভেম্বর মাসে শীতকালীন ফুল লাগানোর উপযুক্ত সময়। দেশের বিভিন্ন নার্সারিতে এখন নানা রকমের শীতকালীন ফুলের চারা পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর আবার অনেক জাত আছে। বাসায় টবে লাগালে মাসখানেক পর থেকেই ফুল ফুটতে শুরু করে এবং জাত ভেদে মার্চ পর্যন্ত ফুল দেয়। যেমন চন্দ্রমল্লিকা ফুল অনেক দিন টবে থাকে। এছাড়া লতানো ফুল হলেও শীতে টবে লাগানো যায়। চারা লাগিয়ে টবের ভেতর কাঠি পুঁতে তারের রিং দিয়ে ছোট্ট মাচার মতো করে দিলেও দেখতে বেশ লাগে।

শীতের ফুল লাগানোর জন্য ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টব যথেষ্ট। ছোট আকৃতির গাছ যেমন ডায়ান্থাস, গাঁদা, পিটুনিয়া, গাজানিয়া ইত্যাদি ছোট টবে লাগানো যেতে পারে। তবে ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা এগুলো ১০-১২ ইঞ্চি টবে লাগানো যায়। টবে মাটির সঙ্গে জৈব সার, কম্পোস্ট বা ভার্মিকম্পোস্ট মেশাতে হয়। তার মধ্যে পলিব্যাগের চারা লাগিয়ে চারার গোড়ার মাটি দুই হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে শক্ত করে দিয়ে এরপর পানি দিতে হয়। গাছে পানি দেয়ার সময় শুধু গাছের গোড়ায় পানি না দিয়ে ঝাঁঝরি দিয়ে গাছের ওপর থেকে বৃষ্টির মতো গাছ-পাতা ভিজিয়ে নিয়মিত হালকা পানি দেয়া ভালো। এতে গাছ বেশি সতেজ থাকে। প্রয়োজন মতো গাছে কাঠি পুঁতে দিতে হবে যাতে হেলে না পড়ে।

ঢাকায় আগারগাঁওয়ে রোকেয়া সরণিতে অনেক নার্সারি রয়েছে। এখানে শীতের মৌসুমি ফুলের পর্যাপ্ত চারা পাওয়া যায়। এখানে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সারও পাওয়া যায়। এছাড়াও রাজধানীর বনানী, শেখেরটেক রিং রোড, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নিউমার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে শীতকালীন ফুলের চারা পাওয়া যায়।

Add Comment

Click here to post a comment