বিনোদন

জেনে নিন, জনপ্রিয় নায়ক সোহেল রানার ছেলে ইউল রাইয়ান সম্পর্কে

স্বপ্ন যা মানুষের জীবন করে তোলে পরিপুর্ণ আবার বেকার গ্রস্থ। যদি স্বপ্ন দেখেন তা পূরনের ইচ্ছাটা থাকতে হবে প্রবল। তেমনি এক ইচ্ছাধারী দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল রানার ছেলে ইউল রাইয়ান।

বাবা মায়ের ইচ্ছা ছিল ছেলে সাধারণ জীবন-যাপন করবে। ছেলের ইচ্ছা পরিচালক হওয়া। ছোটবেলার ইচ্ছা পুরণ করলেন রাইয়ান সিনেমা নির্মাণের মাধ্যমে।

একান্ত সাক্ষাৎকারে দেশের জনপ্রিয় প্রযোজক,পরিচালক,নায়ক সোহেল রানার ছেলে ইউল রাইয়ান।

ইউল রাইয়ান যার আদর্শ বাবা। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরনে সবসময় নিজেকে উজার করে দিয়েছেন। প্রতিনিয়ত লালিত স্বপ্নকে কবর দিয়েছিলেন ছোট ইউল রাইয়ান। বাবা বিক্ষ্যাত ব্যক্তি হয়েও দেখাননি উচ্চাভিলাষীতা। আর দশজনের মতই ছিলেন। বাবা সিনেমায় না থাকলেও পরিচালনায় আসতেন এমনি তথ্য দিয়েছেন।

ইউল রাইয়ান বয়স যখন দশ তখন থেকে তিনি পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন।

ফ্ল্যাশব্যাকে গিয়ে জানা যায়, ছেলের আদর্শ বাবা – মা। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে বড় হয়ে সাধারন মানুষের মত হবে। কিন্তু ইউল রাইয়ান বাবা মায়ের স্বপ্ন পুরন ও নিজের লালিত ছোট বেলা ইচ্ছা পুরনে মগ্ন থাকলেও বাবা -মায়ের জন্য পড়াশুনা চালিয়ে গিয়েছেন। তবে বাবা-মায়ের স্বপ্ন ভাঙ্গার ভয়ে বলতে পারেননি ছোট বেলার সেই ইচ্ছার কথা।

সময়ের ব্যবধানে বাবার কাছে ছেলে আবদার করেন ক্যামেরার। বাবা ছেলের আবদার পুরন করে দেন। তিনি ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে প্রায় চার বছর শর্ট ফ্লিম বানান। মজার বিষয় হচ্ছে ডিজিটাল ক্যামেরার মেগাপিক্সেল ছিল ১ দশমিক ২।

দেশের সনামধন্য ব্যক্তির ছেলে হওয়া সত্তেও মানুষের জীবন সম্পর্কে জানার জন্য ছাত্র অবস্থায় বিভিন্ন প্রাইভেট সেক্টরে কাজ করেছেন তিনি।

শর্ট ফ্লিম ক্যারিয়ার ৪বছর পুর্ন হওয়ার পর ইউল রাইয়ান বাবাকে ছোটবেলার লালিত স্বপ্নের কথা বলেন প্রায় দশ বছর পর। বাবা ছেলেকে প্রথম অদৃশ্য শত্রু সিনেমার মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ করে দেন।

ইউল রাইয়ান বলেন, সিনেমা পরিচালনার জন্য আমি দেশের অনেক পরিচালকের সাথে সহকারী হিসেবে ছিলাম। আমি শেখার জন্য সেইসব পরিচালকের সাথে কাজ করেছি যাদের ভূলটা আমি ধরিয়ে দিয়ে নিজে শিখেছি।

তবে এবার পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার খাতায় নাম লেখালেন রাইয়ান সিনেমার মাধ্যমে। সিনেমাটি আগামী জুলাই এর ১৪ তারিখে শুভমুক্তি দিবেন বলে পরিচালক সুত্রে জানা গেছে।