জাতীয়

৮ শিক্ষার্থীকে ছাড়াতে ৩১২৫ টাকা ঘুষ দিল টাঙ্গাইল পুলিশকে

টাঙ্গাইলের থানাগুলোত লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলছে পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য। সেই ধারাবাহিততায় এবার টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় ৩ হাজার ১২৫ টাকা ঘুষ দিয়ে ছাড়া পেল সরকারী ইব্রাহীম খাঁ কলেজের একাদশ শ্রেণীর ৮ শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দক্ষিণ চত্ত্বর থেকে আড্ডারত অবস্থায় তাদের আটক করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।পরে দুপুরে অভিভাবকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ১শ ২৫ টাকা ঘুষ এবং মুচলেকা আদায় করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ করেন তাদের অভিভাবকরা।

আটককৃতরা হলেন; ঘাটাইল উপজেলার বীরসিংহ গ্রামের মো. সামাদ আলীর ছেলে মো. শরিফ, পাঁচটিকড়ি গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে মো. রাজু, আনন্দ পাড়ার আয়নাল হকের ছেলে মো. সুমন, ভূঞাপুর উপজেলার ফকির পাড়া গ্রামের আশরাফ হোসেনের ছেলে মো. সবুজ, পূর্ব ভূঞাপুর গ্রামের কার্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে অজয় চন্দ্র দাস, ফকির পাড়া গ্রামের মো. রহিমের ছেলে ছাইদুর রহমান গোপালপুর উপজেলার বরভিটা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে মো. রতন। আরেকজন শিক্ষার্থীর পরিচয় জানা যায়নি।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আটকৃত ছাত্রদের অভিভাবক জানায়, তাদের ছাড়িয়ে নিতে গেলে থানা পুলিশ মোটা অংকের ঘুষ দাবী করে। পরে ৩ হাজার ১শ ২৫ টাকায় তা রফা হয়। এই টাকা আমরা সব অভিভাবক সমান হারে চাঁদা তুলে দিয়েছি।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার এসআই হারুন জানান, আটক ওই আট শিক্ষার্থীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকের দক্ষিণ চত্ত্বরের ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশে আড্ডা দিচ্ছিল। এসময় পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

ঘুষ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম কাউছার চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপানাকে টাকার বিষয়ে কে তথ্য দিল? এটা ভুয়া ও মিথ্যা এবং বিষয়টি আমি জানিনা।