অন্যরকম খবর

২৫ বছরের তরুণীর ওজন ১৪ কেজি!

1aউচ্চতা আড়াই ফুট, ওজন ১৪ কেজি কিন্তু মেয়েটির বয়স ২৫ বছর। ৪-৫ বছরের ছোট শিশুর মতো দেখতে কথাও বলে শিশুদের মতো। মেয়েটির নাম টুম্পা। ধামরাই উপজেলা সরকারি হাসপাতালে তাকে কোলে নিয়ে এসেছিল মা শাহেদা বেগম।

তাদের বাড়ি ঢাকা জেলার ধামরাই পৌর শহরের কালিয়াগার মহল্লায়। টুম্পার বাবার নাম হারেজ দেওয়ান।

শাহেদা বেগম বলেন, ২৫ বছর আগে অন্য সবার মতোই জন্ম হয় টুম্পার । কিন্তু জন্মের পর থেকেই আকারে ছোট ও ওজন অনেক কম আর ঘন ঘন অসুস্থ থাকতো টুম্পা। অনেক ডাক্তার দেখালেও টুম্পার কোনো উন্নতি হয়নি। টাকার অভাবে বড় কোনো চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেননি বরে জানান টুম্পার মা।

তিনি বলেন, স্থানীয় চিকিৎসকরা বলতে পারেনি টুম্পার আসলে কি সমস্যা।

শাহেদা বেগম মুন্নু সিরামিক্স কারখানায় অল্প টাকা বেতনে চাকরি করতেন। কিন্তু কারখানার কর্তৃপক্ষ গত একমাস আগে তাকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করে। শাহেদা বেগমের অল্প বেতনের টাকা দিয়েই চলতো সংসার। টুম্পার বাবা তেমন কাজকর্ম না করায় তাকেই সংসারের ঘানি টানতে হত।  এরমধ্যে দুই ছেলে ও পাঁচ মেয়ের মা হয়েছেন শাহেদা বেগম। ছেলে-মেয়েদের মধ্যে টুম্পা তৃতীয়। বড় ছেলে হিরু বিয়ে করে তার সংসার নিয়ে আলাদা থাকে। টুম্পার বড় ও ছোট বোনের বিয়েও হয়েছে। স্বামী সংসার নিয়ে ভালোই আছে তারা। টুম্পাকে নিয়ে এখন যত সমস্যা । জন্মের পর থেকেই তার এই সমস্যা। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করলেও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। টুম্পাকে এখনও মুখে তুলে খাওয়াতে হয়। টুম্পা মুখে কিছু কথা বলতে পারলেও নিজে নিজে ঠিকমতো হাটাচলা করতে  পারে না। বেশির ভাগ সময়ই অসুস্থ থাকে।

টুম্পাকে নিয়ে কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না শাহেদা। এ ব্যাপারে তিনি বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উপজেলা সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার নন্দলাল সুত্রধর বলেন, এ ধরনের মানুষ এই প্রথম এখানে চিকিৎসা নিতে এসেছে।

তিনি জানান, মেয়েটির জিনগত সমস্যা হতে পারে। সেজন্য তার বয়স অনুপাতে বেড়ে উঠেনি। টুম্পার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অথবা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ভিডিওঃ রেষ্টুরেন্টে দুই মেয়ের ভয়ংকর মারামারি! অবাক হবেন [ভিডিও]

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment