মতামত/বিশেষ লেখা/সাক্ষাৎকার

১৪ ডিসেম্বরের দাবি বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সুবিচার-আহমদ রফিক

একাত্তরের গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে বাঙালির স্বাধীনতাযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বরে (১৯৭১) অর্জিত হয় বিজয়। অভ্যুদয় স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।

বিজয়ের আনন্দ ম্লান করে দেয় ১৪ ডিসেম্বরকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী হত্যার নিষ্ঠুরতা। বেদনায় মুহ্যমান হয়ে ওঠে স্বাধীনতা। তাই বিজয় দিবসের আনন্দ সমারোহের দুই দিন আগে আমরা নীলবিষণ্নতা নিয়ে নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করি। ভেবে শিউরে উঠি, কী পৈশাচিক নিষ্ঠুরতায় তাদের হত্যা করা হয়েছিল চোখ উপড়ে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্নভিন্ন করে।

বধ্যভূমিতে যে দু-একজনের লাশ পাওয়া গিয়েছিল, ক্ষতবিক্ষত সেসব লাশ ঘাতকদের নিষ্ঠুরতার প্রমাণ দেয়। বড় কথা, অধিকাংশের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঢাকায় তাঁদের সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর পত্রপত্রিকায় তাঁদের সম্পর্কে কিছু লেখা প্রকাশ পায়, আলোচনা হয় টেলিভিশন চ্যানেলে। ওই এক দিনের পর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, তাদের দুর্বৃত্ত ঘাতকদের কথা আর কারো মনে থাকে না।

এসব আলোচনায় যতটা আবেগ প্রকাশ পায়, হত্যাকাণ্ডের বাস্তব দিকগুলো সে অনুপাতে এখন আর ততটা উঠে আসে না। মনে হয় বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস পালন নিছক এক আনুষ্ঠানিকতা; বাঙালির হুজুগ মেটানোর দিন। তা ছাড়া ঢাকায় নিহত বুদ্ধিজীবীদের নাম-পরিচয় প্রতিবছর সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশ পায় ঠিকই, কিন্তু ঢাকার বাইরে নিহত বুদ্ধিজীবীদের নাম তালিকা ও পরিচিতি এখনো অনুসন্ধানের বিষয় হয়ে আছে। তাঁরা এখনো আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠেননি।

প্রকৃতপক্ষে দেশের সর্বত্র সংঘটিত বুদ্ধিজীবী হত্যার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। তাই দীর্ঘকাল পার হয়ে গেলেও সে তালিকা যেমন প্রণীত হয়নি, তেমনি তাদের ঘাতকদের বিচারের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়নি। অপরাধীরা চেনা-অচেনায় অধরাই থেকে গেছে। এ সম্পর্কে বুদ্ধিজীবী মহলে, সরকারি মহলে এক ধরনের উদাসীনতা কাজ করছে। এটা যুক্তিসংগত নয়। বড় কষ্টের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বজনদের জন্য।

দুই.

বুদ্ধিজীবী হত্যা সংগত কারণে দু-একটি প্রশ্নের জন্ম দেয়। যেমন কারা এই বুদ্ধিজীবী, যাঁদের বেছে বেছে তাঁদের আবাসস্থল থেকে তুলে নিয়ে চোখ বেঁধে নির্যাতনকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়? পরে একাধিক বধ্যভূমি হলো তাঁদের ঠিকানা। কাজটা খুব কৌশলে ও বেশ সহজেই করা হয়েছিল। কারণ কাজের দায়িত্বে ছিল স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের ঘাতকদল, যারা এ সমাজেই বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। সবচেয়ে বড় কথা, এ কাজ তারা সফলভাবে করেছে কারফিউর সময় এবং পাকিস্তানি সেনাদের সহায়তায়। তারাই তাদের জিপ-পিকআপ ভ্যান দিয়ে সহায়তা দিয়েছে। দিয়েছে আরো নানাভাবে।

কথিত এই বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অনুরূপ পেশাজীবী বিশিষ্টজন। ঢাকায় এ তালিকায় যাঁদের নাম, তাঁদের সবাইকে আমরা চিনি। তাঁরা বাঙালি সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি, সামাজিক শক্তি ও মননশীলতার প্রতীক। ব্যাপকহারে তাঁদের হত্যা করতে পারলে বাঙালি সমাজকে মেধা ও মননশীলতায় পঙ্গু করা যাবে, এমনটাই ছিল সামরিক শাসকদের বিশ্বাস। কথাটি বিভিন্ন জনের লেখায় একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে রাজনৈতিক মহলের ভাষ্য, তাঁদের হত্যা করে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে বাঙালিকে অন্তঃসারহীন জাতিতে পরিণত করা। একই রকম ধারণা সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। এই উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সামরিক বাহিনীর নীলনকশা অনুযায়ী কাজে নেমে পড়েছিল জাতিদ্রোহী আলবদর, আলশামসের ঘাতকদল। জামায়াতসহ বাংলাদেশবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিবর্গ এ জাতীয় কর্মকাণ্ডের পেছনে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। যেমন মুসলিম ও ইসলামী দলগুলো।

বাঙালি জাতির মেধা ও মননে, এককথায় বুদ্ধিবৃত্তিক বলয়ে এই আঘাতের তাৎপর্য ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। জানা যায় বঙ্গভবনে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে স্থানীয় দেশদ্রোহীদের সাহায্যে তৈরি এ টার্গেট হত্যার তালিকার কথা। বলা বাহুল্য, সে তালিকা দীর্ঘ হওয়ারই কথা। সে তালিকামাফিক সবাইকে হত্যা করতে পারলে হয়তো ঠিকই বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির বড় বিপর্যয় ঘটত। কিন্তু সময়াভাবে তা সম্ভব হয়নি।

বাহাত্তরেই দেখা গেছে, রাও ফরমান আলীর ডেস্ক ক্যালেন্ডারে এ বিষয়ে কিছু মন্তব্য, যা সম্ভাব্য হত্যা পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। অবশ্য পরবর্তী সময়ে লেখা ফরমানের আত্মজীবনীতে সবুজ পূর্ববঙ্গ রক্তে লাল করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। কথাটির ভিন্ন ব্যাখ্যা হাজির করা হয় ওই আত্মজীবনীতে।

সন্দেহ নেই বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা স্থানীয় পাকিস্তানি সেনা দপ্তরেই তৈরি হয়েছিল। তবে তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল স্থানীয় বাংলাদেশবিরোধী পাকিস্তানপন্থীদের ওপর। মূলত তরুণদের এ বর্বরতায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। যেমন সাংবাদিক চৌধুরী মঈনুদ্দীন, যে এখন বহাল তবিয়তে লন্ডনে নানা ব্যবসা জাঁকিয়ে ধনী রাজনৈতিক-সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এবং তা বেশ কিছুকাল থেকে।

এ ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট আরেকটি নাম মওলানা আবদুল মান্নান, যার ছবি ছাপা হয়েছিল বাহাত্তরের প্রথম দিকে দৈনিক বাংলায় এই আর্জিতে : ‘এই নরপিশাচকে ধরিয়ে দিন’। ‘নরপিশাচ’ মওলানা মান্নান ধরাও পড়ে। কিন্তু দুর্বোধ্য কারণে ছাড়া পেয়ে আত্মগোপন করে। পরে তো বাংলাদেশে সাংবাদিক ভুবনে তার কী শ্রীবৃদ্ধি, এমনকি নানা ব্যবসায়ে অঢেল অর্থের মালিক। মন্ত্রিত্ব তার কপালে জুটেছিল এই স্বাধীন বাংলাদেশে দূষিত রাজনীতির টানে। এ প্রসঙ্গে আরেক অপরাধীর নাম ড. ফাতেম সাদেক।

তিন.

দুর্ভাগ্য বাংলাদেশ ও তার রাজনীতির ও রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শবাদের যে স্বাধীন দেশে একাত্তরের গণহত্যার জন্য দায়ী পাকিস্তানি সেনাদের বিচার হয়নি, এ ঘৃণ্য কাজের প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও। বিচার হয়নি স্থানীয় ঘাতক-দালালদের। তবে সান্ত্বনার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত অনেক দেরিতে হলেও সম্প্রতি মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও যুদ্ধপরাধে দায়ী স্থানীয় অপরাধীদের বিচার শেষে শাস্তি কার্যকর করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সে বিচার এখনো চলমান।

কিন্তু অজ্ঞাত কারণে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ব্যাপক তদন্ত যেমন হয়নি, তেমনি হয়নি তার বিচার ও যথাযথ শাস্তি। অথচ ১৯৭২ সাল থেকে নানা ফোরামে ও আলোচনাসভায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে অশ্রুসজল আবেগের প্রকাশ দেখেছি। বাহাত্তরে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বটতলার জনসমাবেশে সর্বজন শ্রদ্ধেয় নারীনেত্রী বেগম সুফিয়া কামালকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখেছি।

এভাবে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যা ও বুদ্ধিজীবী হত্যা সম্পর্কে ব্যাপক আবেগের প্রকাশ ঘটতে দেখা গেছে। কিন্তু অপরাধের সুবিচার ও ঘটনার জন্য দায়ী অপরাধীদের শনাক্ত করতে তদন্ত ও তাদের বিচারের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি। তখন সদ্য রক্তভেজা মাটিতে ছিল প্রতিক্রিয়ার যথেষ্ট উত্তাপ, ছিল অপরাধীদের শাস্তি বিধানের জন্য প্রবল আবেগ। ছিল যথেষ্ট প্রমাণাদি। কিন্তু আবারও বলি, এত সব কিছু থাকা সত্ত্বেও ‘বিচারের বাণী নিভৃতে’ কেঁদেছে দীর্ঘ সময় ধরে।

বুদ্ধিজীবী হত্যা প্রসঙ্গে আরো একটি কথা বলি। এ কাজটি সম্পন্ন করা, সীমাবদ্ধ মাত্রায় হলেও ঘাতকদের পক্ষে সহজ হয়েছিল সংশ্লিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের বিচক্ষণতার অভাবে। অভাব দূরদর্শী বিবেচনার। তাঁরা ভাবতেই পারেননি যে তাঁদের কেন্দ্র করে এমন একটি নিষ্ঠুর, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। তাই তাঁরা নিরাপত্তামূলক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবেননি।

এমনকি সে ভাবনার কথা বলা হলেও তাঁরা সে পরামর্শে গুরুত্ব দেননি। তাঁরা হয়তো ভেবেছিলেন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তাদের হত্যাযজ্ঞ, এত দূর নিয়ে যাবে না যাতে তাদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। এমন ভাবনা যে কতটা ভুল ছিল জীবন দিয়ে তাঁরা তা প্রমাণ করে গেছেন। সে জীবনদানের নিষ্ঠুরতা ছিল অবিশ্বাস্য রকম বর্বরতায় চিহ্নিত।

এ বিষয়ে অন্তত কয়েকটি উদাহরণ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়। যেমন চক্ষুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শহীদ আলীম চৌধুরীর স্ত্রী শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী শুরু থেকে তাঁর স্বামীকে বারবার অনুরোধ করেছিলেন নিরাপদ স্থানে চলে যেতে। আলীম তা শোনেননি। হয়তো ভেবেছেন, তিনি চিকিৎসক, তাঁকে কে মারতে আসবে? কিন্তু ঘাতক তো তাঁর আবাসস্থলেই ছিল।

তেমনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও আমার একান্তজন ফজলে রাব্বীকে আমি নিজে বলেছি তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে বাসা ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যেতে। পরে শুনেছি তাঁর শুভানুধ্যায়ী আরো দু-চারজনও তাঁকে অনুরূপ পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু রাব্বী সে পরামর্শ হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। কারণ হয়তোবা পূর্বোক্ত ভাবনা—চিকিৎসককে কেন মারতে আসবে! কিন্তু এমন ভাবনা সঠিক ছিল না জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সমর্থক ও প্রকাশ্যে সামরিক শাসকদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় সোচ্চার ফজলে রাব্বীর পক্ষে।

ঠিকই একই কথা সত্য বামপন্থী রাজনীতির সক্রিয় সমর্থক ও দৈনিক ‘পূর্বদেশ’-এর সহকারী সম্পাদক আ ন ম গোলাম মোস্তফা সম্পর্কেও। আমার একান্তজন মোস্তফাকেও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে দেখা গেছে। এ সম্পর্কে পূর্বদেশ পত্রিকায় তৎকালে কর্মরত সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী হয়তো ভালো বলতে পারবেন। কারণ তাঁরা পরস্পরের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পরিণামে মোস্তফাকে তাঁদের বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। তাঁকেও তুলে নেওয়া হয় কারফিউর মধ্যে।

এ তালিকা দীর্ঘ করার প্রয়োজন নেই। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা প্রসঙ্গে প্রায় সবার জন্য একই ঘটনা তাঁদের অপরিণামদর্শী ভাবনার ফল। অন্তত আমি তাঁদের মধ্যে আরো দু-একজনের কথা জানি, যাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন না। যেমন হরগঙ্গা কলেজে আমার সহপাঠী সাংবাদিক নিজামউদ্দিন, ‘শিলালিপি’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক সেলিনা পারভীন বা অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী এবং অনুরূপ আরো দু-একজন।

ভাবতে অবাক লাগে, ২৫ মার্চের বর্বরতা তথা নির্বিচার শিক্ষক-ছাত্র হত্যার পরও পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর নিষ্ঠুরতার মাত্রা তাঁরা এতটা হালকাভাবে বিবেচনা করতে পেরেছিলেন কী মনে করে? পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তো যথারীতি তাদের নিষ্ঠুরতার জন্য কুখ্যাত। তবু কেন তাদের সম্ভাব্য কর্মকাণ্ড নিয়ে এতটা বিভ্রান্তি, বিশেষ করে ৯ মাসের হত্যাযজ্ঞের পরও? এসব প্রশ্নের জবাব মেলে না, অথবা যা মেলে তা বড় অপ্রিয়।

যাই হোক, এ বিষয়ে শেষ কথা হলো, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের বর্বরতার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের দাবি, যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচারের প্রাসঙ্গিকতায় বুদ্ধিজীবী হত্যার নির্মমতারও অনুপুঙ্খ তদন্ত অর্থাৎ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও বিচার শুরু করা হোক। চৌধুরী মঈনুদ্দীনের মতো পরিচিত ঘাতকদের বিচারের জন্য দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলুক। এ বিচার শহীদদের স্বজনদের দাবি পূরণ করবে, তাদের কিছুটা সান্ত্বনা জোগাবে। আমাদের আরো দাবি, এ হত্যাকাণ্ডের শ্রমসাধ্য তদন্ত যেন সংশ্লিষ্ট সংস্থা আন্তরিকতার সঙ্গে যথাসম্ভব দ্রুত সম্পন্ন করে।

লেখক : কবি, গবেষক ও ভাষাসংগ্রামী

Add Comment

Click here to post a comment