খেলা-ধুলা

১২ বছরের আক্ষেপ ঘুচাতে চান মুশফিক

ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রচুর উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ততটা নয়। দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয়ের পর ক্রিকেটের এই লংগার ভার্সনে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে বাংলাদেশ। টাইগার টেস্ট ক্যাপ্টেন মুশফিকের ক্যারিয়ার এক যুগের। ১২ বছরে খেলা ৫৪ টেস্টের মধ্যে এখনও অজিদের বিপক্ষে খেলাই হয়নি তার! সেই না খেলতে পারার আক্ষেপ এবার জয় দিয়েই ঘুচাতে চান মুশি।

অস্ট্রেলিয়া আর বাংলাদেশের দ্বৈরথ খুব একটা দেখা যায় না। দীর্ঘ সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক কোনো সিরিজ হয়না। গত দুটি আইসিসির ইভেন্ট ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বৃষ্টির জন্য খেলা পরিত্যক্ত হয়েছে। অজিদের বর্তমান দলও দুই একজন বাদে বাংলাদেশিদের সঙ্গে তেমন পরিচিত না। এবার অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর ২০০৬ সালের পর প্রথমবার বাংলাদেশ সফরে আসছে অজিরা। এই সফরও ভেস্তে যেতে বসেছিল তাদের বোর্ডের সঙ্গে বিবাদের কারণে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত মিটামট হওয়ায় এখন মাঠের লড়াইয়ের অপেক্ষা।

চট্টগ্রামে অনুশীলনরত টাইগার টেস্ট ক্যাপ্টেন মুশফিক বললেন, ‘অবশ্যই রোমাঞ্চিত যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলব। সব দলের সঙ্গেই খেলা হয়েছে, শুধু অস্ট্রেলিয়া বাকি ছিল। সিরিজটা ভালোভাবে শেষ করতে পারলে এতদিন না খেলার আক্ষেপটা থাকবে না। ১২ বছরে অনেক কিছুই শিখেছি টেস্ট ক্রিকেটে। চেষ্টা করব সবকিছু কাজে লাগিয়ে ফল আমাদের পক্ষে নিয়ে আসতে। এখন যারা খেলছে, তাদের মধ্যে কেবল মাশরাফি ভাই খেলেছেন অনেক দিন আগে। সবাই জানে চ্যালেঞ্জটা অনেক কঠিন। কিন্তু আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। মনেপ্রাণে চেষ্টা করতে চাই এবার। কারণ জানি না আবার কবে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলার সুযোগ আসবে। ‘

মুশফিকের শেষ কথাটিই যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বাস্তব সত্য। ক্রিকেটের দিনের পর দিন উন্নতি করে যাওয়ার পরও ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মত দলগুলো বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে অনীহা দেখায়। সবকিছুর জবাব হিসেবে অজিদের দুটি টেস্টেই হারাতে চায় বাংলাদেশ। কোচ চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে থেকে শুরু করে অধিনায়ক এবং স্কোয়াডের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে এমন টিম স্পিরিট। অজিদের শক্তি বিবেচনায় না এনে পেশাদার ক্রিকেট খেলতে চায় বাংলাদেশ। টাইগার ক্যাপ্টেন যেমন বললেন, ‘অস্ট্রেলিয়া আর জিম্বাবুয়ে নয়; আমি প্রতিটি ম্যাচই এক ভাবে দেখি। ‘