লাইফ স্টাইল

স্বাস্থ্যকর সামাজিক জীবনের জন্য ৯ বিষয় মেনে চলুন

1a১. উপলক্ষ ছাড়াই দাওয়াত
বিশেষ উপলক্ষ ছাড়া দাওয়াতের আয়োজন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। সময় ও সুযোগের অভাব এ ক্ষেত্রে বেশ দায়ী। কিন্তু রাতে বেশ কিছু মানুষ এক হয়ে যদি ডিনার উপভোগ করেন, তবে বন্ধনটা আরো মজবুত হবে।
২. পড়ুয়াদের ক্লাব
বই পড়ুয়ারা আয়োজনটি সারতে পারেন। পরিচিতজনদের নিয়ে একটি বই পড়ার ক্লাব গঠন করে ফেলুন। প্রত্যেকের বাড়িতে একবার করে সবাই মিলে যাবেন। বই লেনদেন করবেন। সামাজিকতা অটুট হবে।
৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
প্রতিদিন সকালে দৌড়ান অথবা ব্যায়ামাগারে গিয়ে শরীরচর্চা করুন। এবার এ কাজে কয়েকজন সঙ্গী জুটিয়ে ফেলুন। সবার মাঝে আন্তরিকতা বাড়বে। ব্যায়ামও হবে উপভোগ্য।
৪. বন্ধু বাড়ান
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে অনলাইনে কতই না বন্ধু গড়ে ওঠে। এদের থেকে বেছে বেছে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। কোনো রেস্টুরেন্ট বা বাড়িতে দেখা হতে পারে। নতুন বন্ধু পাবেন। সামাজিক অংশগ্রহণে জীবনটা আরো উপভোগ্য হবে।
৫. চিঠি লিখুন
প্রযুক্তির যুগে চিঠি লেখার কথা ভুলে গেছে মানুষ। অথচ হাতে লেখা চিঠির আবেদন কখনোই পূরণ হওয়ার নয়। দূরে থাকা বন্ধু, প্রিয়জন বা স্বজনের কাছে চিঠি লিখুন। আপনাদের আত্মিক বন্ধন সুদৃঢ় হবে।
৬. প্রবীণদের সেবা
কোনো বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে সেবা প্রদান করে আসুন। শর্তহীনভাবে কাজ করবেন। বড় দায়িত্বশীলতা নয়, মাঝেমধ্যে কেবল ফ্রি সেবা দিন।
৭. একসঙ্গে ঘুরতে
দূরে বাস করেন এমন কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করে আসুন। অথবা কয়েকজন মিলে বাইরে ঘুরে আসুন। বিশেষ অভিযান টাইপ আয়োজন না করলেও চলবে। একটু দূরের পার্কে হাঁটতে গেলেও সামাজিকতা নতুন মাত্রা পাবে।
৮. সারপ্রাইজ পার্টি
একজন বন্ধু বা স্বজনের বাড়িতে সারপ্রাইজ পার্টি দিন। অন্যদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে কারো জন্মদিন বা বিশেষ উপলক্ষে এমনটা করতে পারেন। এসব পার্টি সামাজিক মেলবন্ধন তৈরিতে বেশ প্রভাবশালী ভূমিকা রাখে।
৯. পুনর্মিলনী
স্কুল বা কলেজের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের নিয়ে পুনর্মিলনী করুন। এটা সামাজিকতা পালনের খুব ভালো উপলক্ষ। সামাজিক মেলামেশায় আপনার পরিসর বিস্তৃতি পাবে।
-এমএসএন অবলম্বনে

ভিডিওঃ ট্রিপল এক্স এ প্রিয়াঙ্কার উত্তাপে কাপছে দুনিয়া (দেখুন ভিডিও)

Add Comment

Click here to post a comment