খেলা-ধুলা

সেঞ্চুরি করেই জাত চেনালেন টাইগার আশরাফুল

আবার সেঞ্চুরি করেই জাত চেনালেন টাইগার আশরাফুল। চার বছর পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। গতকাল জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) প্রথম রাউন্ডের প্রথম দিনে ঢাকা মেট্রোপলিশের ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকান বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত বছর জাতীয় লীগ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে প্রত্যাবর্তনের প্রথম মৌসুমে ৫ ম্যাচে করেন সাকুল্যে ১২৩ রান।

সর্বোচ্চ ৩৯। মলিন নৈপুণ্যের কারণে আসরের দ্বিতীয় ভাগে দল থেকেই বাদ পড়েন তিনি। তবে এবার জাতীয় লীগে দারুণ শুরু করলেন টেস্টের সবচেয়ে কমবয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ডধারী মোহাম্মদ আশরাফুল। গতকাল চট্টগ্রাম বিভাগের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষ বোলার মেহেদী হাসান রানার ডেলিভারিতে উইকেটরক্ষক সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে আশরাফুল করেন ১০৪ রান। ১৯৪ বলের ইনিংসে মোহাম্মদ আশরাফুল হাঁকান একডজন চার ও দুটি ছক্কা। এতে জাতীয় ক্রিকেট লীগের টিয়ার-টু প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২৫৭/৫ সংগ্রহ নিয়ে ম্যাচের প্রথম দিনের খেলা শেষ করে ঢাকা মেট্রো। দিন শেষে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন মেহরাব হোসেন জুনিয়র।

ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়ার আগে আশরাফুল সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেন ২০১৩ সালের মার্চে, গল টেস্টে। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ড্র’র কৃতিত্ব দেখানো গল টেস্টের ওই ইনিংসে ১৯০ রান করেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আর ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আশরাফুল সর্বশেষ সেঞ্চুরির দেখা পান ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে।
বগুড়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগে (বিসিএল) নর্থ জোনের বিপক্ষে সেন্ট্রাল জোনের ব্যাট হাতে আশরাফুল করেন ১৩৩ রান।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর জাতীয় লীগে ভালো করতে পারেননি বলে সর্বশেষ বিসিএলে সুযোগ মেলেনি আশরাফুলের। আর লিস্ট-এ আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ দিয়ে আশরাফুল ফিরেছিলেন একদিনের ক্রিকেটে। কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের হয়ে টানা সাত ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর অষ্টম ম্যাচে পান অর্ধশতকের দেখা। ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে ১০ ম্যাচে দুই ফিফটিতে ৩৩ বছর বয়সী মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাট থেকে আসে ২৪০ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
চট্টগ্রাম-ঢাকা মেট্রো
টস: ঢাকা মেট্রো, ব্যাটিং
ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস: ৯০ ওভার; ২৫৭/৫ ব্যাটিং (আশরাফুল ১০৪, মেহরাব ৬৫*, সৈকত ৩৮, মেহেদী রানা ২/৪৭, শাখাওয়াত ২/৫৬)।