বিনোদন

শুটিংয়ে কেন হাউমাউ করে কেঁদেছে অ্যালেন শুভ্র?

ঈদে বিকাল বেলার পাখি নাটকে অভিনয় করে বেশ আলোচনায় এসেছেন অ্যালেন শুভ্র। সেই সঙ্গে অনলাইনে মুক্তি পেয়েছে তাঁর আরও একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। সেখানেও আলোচিত অ্যালেন। সাম্প্রতিক কাজের খবর জানিয়ে দর্শকদের একটা অনুরোধ করলেন তিনি।

আপনার ‘বিকাল বেলার পাখি’ নাটকটি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে!

হ্যাঁ। এই নাটক সবাই বেশ পছন্দ করছে। নাটকটি দেখে কত মানুষ যে আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে খুদে বার্তা, ফোন, মেইল করেছে, তা সংখ্যায় প্রকাশ করা অসম্ভব। বেশির ভাগ মানুষই বলেছেন, এটা তাঁদের পরিবারের চেনা গল্প।

এই নাটকের জন্য আলাদা কোনো প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?

ঈদের আগে আদনান ভাই (আদনান আল রাজীব, নাটকটির পরিচালক) আমাকে ফোন করলেন নাটকটির ব্যাপারে। আমি দেখা করে বললাম, ‘আদনান ভাই, এবার মানুষকে হাসিয়ে শেষ করে ফেলব।’ সে রকম মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু শুটিংয়ে গিয়ে দেখি ঘটনা উল্টো।

নাটকটির শেষ দৃশ্যে ও রকম হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন কীভাবে? গ্লিসারিন লেগেছিল?

সত্যি কথা কী, আমরা যখন দৃশ্যের প্রথম শটটা দিয়েছিলাম, তখন গ্লিসারিন লাগেনি। আদনান ভাই এমনভাবে বুঝিয়েছেন যে আমরা শুটিংয়ের সময় হাউমাউ করে কেঁদেছি। পরে ক্লোজ শটের সময় অবশ্য গ্লিসারিন লেগেছিল। তবে এ নাটকে অভিনয় আমার জন্য সহজ ছিল। কারণ, এটা আমার পরিবারের গল্প। আমার বাবা-মা দুজনই অবসর গ্রহণ করেছেন। আমি যখন বাসায় ঢুকি, তখন তাঁদের দেখে আমার বিকাল বেলার পাখির গল্পটা মনে পড়ে।

প্রজন্ম টকিজের ‘উপসংহার’ নামে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটিও সম্প্রতি ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে।

এই ছবিতে একটা বার্তা আছে। এই সময়ের তরুণদের জন্য যেটা খুবই জরুরি। ছবিটা সবার দেখা উচিত। আমি পাভেল ভাইয়ের (আজাদ আবুল কালাম) সঙ্গে অভিনয় করেছি। তাঁর সঙ্গে একটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করা আনন্দের ব্যাপার।

দর্শকদের নতুন কোনো কাজের খবর দেবেন?

সবাইকে অনুরোধ করছি, আগামী মাসে অনিমেষ আইচ পরিচালিত আমার প্রথম সিনেমা ভয়ংকর সুন্দর মুক্তি পাবে। আপনারা প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সবাই মিলে ছবিটি দেখবেন। এটাও সবার ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।

 সাক্ষাৎকার: হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক