গাজীপুর জাতীয় ঢাকা বিভাগীয় সংবাদ রাজনীতি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইউনুস-সুচির আঁতাত আছে কিনা দেখা উচিত-চুমকি

রফিক সরকার: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ড. মো. ইউনুসের ভূমিকা সন্দেহ জনক। পশ্চিমা বিশ্ব ড. ইউনুসকে নিয়ে এত মাতামাতি করে, কিন্তু আজ যখন সারাবিশ্বের নোবেল বিজয়ীরা রোহিঙ্গা হত্যাযজ্ঞের তিব্র প্রতিবাদ করছে সেই মুুহুর্তে ড. ইউনুস রহস্য জনকভাবে নিশ্চুপ রয়েছেন। তিনি কেন? ছুটে গেলেন না রোহিঙ্গাদের কাছে। তিনি কেন? অংসান সুচিকে ফোন করলেন না। তার সাথে অংসান সুচির কোন আঁতাত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত। মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সহযোগীতায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত তুমলিয়া বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইমাম ও মুয়াজ্জিনগণের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় (ইমাম বাতায়ন) প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সময় অপপ্রচার ছিল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ হিন্দু রাষ্ট্র হবে, মসজিদে উলুধ্বনী উঠবে। কিন্তু এই অপপ্রচার আজ মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা ও ভূল বুঝাবুঝি দূর করার জন্য বঙ্গবন্ধুই ইসলামীক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারই ৪২ হাজার ইমামকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। তাছাড়া প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। কামিল ও দাওরা হাদিসকে মাস্টাসের্র সমমান দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সব সময় ধর্মীয় সম্প্রতিতে বিশ্বাসী। আওয়ামীলীগ সকল ধর্মের লোকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী।

এ সময় সুইডেনের নোবেল কমিটি নোবেলের জন্য ভূল মানুষকে নির্বাচন করেছেন বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। অংসান সুচি ও ড. ইউনুসের নোবেল পদক প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য নোবেল কমিটিকে আহবান জানান। তীব্র নিন্দা জানান মায়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনের। পাশাপাশি এই নিধনে বিশ্ববাসীকে প্রতিবাদে জোড়ালো ভূমিকার রাখা আহবানও জানান তিনি।

কালীগঞ্জ শাখা ইসলামীক ফাউন্ডেশনের তত্ত¡াবধানে এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন পলাশ, কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত, এটুআই প্রোগ্রামের প্রশিক্ষক পারুল সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শরীফুল ইসলাম সরকার তোরণ, আবুবকর মিয়া বাক্কু, তাবলীগ জামায়াত কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার আমির সিরাজুল ইসলাম সিকদার, মাওলানা আবু হানিফা, মো. নুরুল আমিন, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় উপজেলার ৫৫৬টি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও মসজিদ কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।