জাতীয়

‘রাত গভীর হলে সুন্দর-সেক্সি মেয়ের খোঁজে দরজায় কড়া নাড়ে সেনারা’

জঙ্গলের কাঁটাঝোপে ভরা রুক্ষ পথে খালি পায়ে টানা তিন দিন হাঁটা, পিঠে এক ফালি কাপড়ে বাঁধা আট মাসের শিশু। খাবার বলতে গাছের পাতা আর পোকামাকড়। আর সম্বল জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর নোনা জল। এভাবেই তিন দিন পরে নাফ নদীর পাড়ে পৌঁছে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন বেগম বাহার। অন্য রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মতোই প্রাণ হাতে নিয়ে স্বামী শিশু পুত্রের সঙ্গে জন্মভূমি মায়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়। এ সময় সংস্থা দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এখনো পর্যাপ্ত নয়। তবে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের ভূমিকা প্রশংসনীয়। নিরুপায় রোহিঙ্গাদের বড় ভরসা এখন বাংলাদেশ।

দেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, প্রতিদিন ঢুকছে অন্তত ২০ হাজার শরণার্থী। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা পৌঁছেছে চার লাখের ঘরে। বুধবার আইওএম, ইউএনএইচসিআরসহ ৪৭টি দেশ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা কক্সবাজারে গিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।