লাইফ স্টাইল

যত বড় প্রাণী তত ছোট শুক্রাণু!

1aখুব ছোট ছোট প্রাণীরও বড় শুক্রাণু হয়। অন্যদিকে বহু বড় বড় প্রাণীরই ছোট শুক্রাণু হয়। বিশ্বের অধিকাংশ প্রাণীই এই এক দিক দিয়ে অত্যন্ত মিল রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এএফপি।

সবচেয়ে বড় শুক্রাণু রয়েছে ছোট এক ধরনের ফলের মাছির। এ প্রাণীটির শুক্রাণু মানুষের শুক্রাণুর তুলনায় এক হাজার গুণ বড়। এ ধরনের বহু ছোট প্রাণীরই বেশ বড় শুক্রাণু হয়। অন্যদিকে বড় বড় প্রাণীদের এর বিপরীত অবস্থা দেখা যায়।

এটা খুবই আশ্চর্যজনক হলেও অত্যন্ত বাস্তব বিষয়। গবেষকরা দীর্ঘদিন গবেষণা করেও বিষয়টির উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম লক্ষ করেননি। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

ছোট প্রাণীদের শুধু বড় শুক্রাণুই হয় না, এর সংখ্যাও কম থাকে। অন্যদিকে বড় প্রাণীদের ছোট শুক্রাণু হলেও তার সংখ্যা বেশি থাকে বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। এ বিষয়ে ইঁদুর ও হাতির মধ্যে তুলনা করে গবেষকরা জানান, ইঁদুর ১২৪ মাইক্রোমিটার লম্বা প্রায় সাড়ে ৯ মিলিয়ন শুক্রাণু উৎপাদন করে। অন্যদিকে হাতি মাত্র ৫৬ মাইক্রোমিটার লম্বা ২০০ বিলিয়ন শুক্রাণু উৎপাদন করে।

এ ছাড়া যেসব প্রাণীর স্ত্রীরা বহু পুরুষের সংস্পর্শে আসে তাদের শুক্রাণুর মাঝে একে অন্যের মাঝে তীব্র প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এ বিষয়ে গবেষণাপত্রটির সহলেখক ও ইউনিভার্সিটি অব জুরিখের গবেষক স্টেফান লুইপোল্ড বলেন, ‘হাতি ইঁদুরের তুলনায় বড় হওয়ায় তাদের শুক্রাণু মাদি হাতির জননাঙ্গে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’ এ কারণেই বড় প্রাণীদের বেশি পরিমাণে শুক্রাণু উৎপাদন করতে হয়ে বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ‘অন্যভাবে বলতে গেলে, শুক্রাণু সংখ্যা শুক্রাণুর আকারের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ।’

ভিডিওঃ শ্রীলেখা মিত্রের খোলামেলা দৃশ্যের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

Add Comment

Click here to post a comment