ঢাকা বিভাগীয় সংবাদ

মেয়েদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য বাল্য বিবাহ আইনে বিশেষ ধারা রাখা হয়েছে-চুমকি

রফিক সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি বলেছেন, বাল্য বিবাহ আইনটি যুগোপযোগী বাস্তবসম্মত কার্যকরি একটি কঠোর আইন। এই আইনে বাল্য বিবাহের সাথে সম্পৃক্ত বর-কনে, বর-কনের পিতা মাতা, কাজী এবং আরও যারা বাল্যবিবাহ সংম্পাদনে সহযোগিতা করবে তাদের কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে কন্যা শিশুরা সুরক্ষা পাবে। অনভিপ্রেত ঘটনার শিকার মেয়েদের সুরক্ষা, সামাজিক মর্যাদা ও মূল্যবোধ রক্ষার্থে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দরিদ্র নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ, মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের (৬৪জেলা) প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ এবং দু:স্থ নারীদের মাঝে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, এই বিশেষ বিধানের যেন কোন রকম অপব্যবহার না হয় তার জন্য মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিক মনিটর করবে। কিছু সংগঠন ও নারী নেতৃরা এ আইনের ভুল ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, বাল্য বিবাহ আইনে ভূল ব্যাখ্যা নয়, ১৮ বছরের আগে কন্যা শিশুর বিয়ে নয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় শীঘ্রয়ই দেশের সব উপজেলায় নারীদের জন্য ইনকাম জেনারেটিং প্রশিক্ষণ চালু করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক বিভিন্ন ট্রেড যেমন- মোবাইল সার্ভিসিং, ফ্যাশন ডিজাইন, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট প্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যারা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নেবে তাদেরকে যাতায়াত ভাতাসহ প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হবে।

মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাশেদা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচারক শাহিন আহমেদ চৌধুরী, জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কবি ফয়সাল শাহ্, মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. সেলিম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. গোলাম মহিউদ্দিন প্রমূখ। পরে প্রতিমন্ত্রী ১০০ জন দরিদ্র নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন এবং ২৫০ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন।

Add Comment

Click here to post a comment