খেলা-ধুলা

‘মেধা পাচারে’র কবলে পড়েছে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট!

52e99df12a3af11aec132718d330e6de-pontingঅস্ট্রেলীয় ক্রিকেট ‘মেধা পাচারে’র চক্র পাকে পড়েছে। কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ও সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের অন্তত এমনটাই ধারণা। আর এই ধারণা নিয়েই শুধু বসে নেই তিনি। সমস্যাটা অনেক আগেই চিহ্নিত করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে এর সমাধানের জন্যও বলেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি।

‘মেধা পাচার’টা কী রকম? পন্টিংয়ের মতে, অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলা কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা কেউই অবসরের পর কোচিংকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন না। বেশি টাকার ‘লোভে’ তাঁরা নাম লেখাচ্ছেন ধারাভাষ্যকার হিসেবে। ‘মেধা পাচার’ হয়ে যাচ্ছে এভাবেই।

অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য ক্রিকেটে কোচিং করাচ্ছেন যাঁরা, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাঁদের খুব বড় অঙ্কের বেতন দিচ্ছে, সেটি বলা যাবে না। পন্টিং এই জায়গাটাতেই পরিবর্তনের কথা বলে আসছেন বছরের পর বছর, ‘আমি না হলেও এক শ বছর ধরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে এ কথা বলে আসছি। তাঁদের রাজ্য ক্রিকেট কোচদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত এবং তথাকথিত বিশেষজ্ঞদের এই পেশায় নিয়ে আসা উচিত।’

পন্টিংয়ের ভাষায় ‘তথাকথিত’ বিশেষজ্ঞরা ধারাভাষ্যকার হিসেবে অনেক বেশি টাকা পান বলেই কোচিংয়ের মতো অল্প বেতন ও বেশি কষ্টের কাজে তাঁদের চরম অনাগ্রহ, ‘ইংল্যান্ডও একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। ক্রিকেটের বড় তারকারা ক’জন কোচিংয়ের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়েছে? তাঁরা সবাই মাইক্রোফোনের পেছনে বসে ধারাভাষ্য দিয়ে চলেছেন। ধারাভাষ্যকে তাঁরা পেশা নিচ্ছেন, কারণ এতে তাঁরা বেশি অর্থ পাচ্ছেন। ওখানে পরিশ্রমও কম করতে হয়।’

অবশ্য এসব কথা যিনি বলেছেন, সেই রিকি পন্টিং নিজেও ধারাভাষ্যের সঙ্গে জড়িত। অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনি একটি ব্রিটিশ টেলিভিশন চ্যানেলের বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন। যে কাজে তিনি এই মুহূর্তে লন্ডনে আছেন। সূত্র: ফক্স স্পোর্টস।

আরও পড়ুনঃ অন্য নারীর সঙ্গে চ্যাট করায় স্বামীর কি দশা করলেন স্ত্রী!!! সেরা বিনোদন (ভিডিও)

Add Comment

Click here to post a comment