Advertisements
slider জাতীয়

মুক্তামনির ব্যাপারে আশাবাদী চিকিৎসকরা

সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির চিকিৎসার বিষয়ে আশাবাদী চিকিৎসকরা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন এ শিশুর শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার চিকিৎসায় গঠিত আট সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বুধবার দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, মুক্তামনি চর্মরোগে আক্রান্ত। তবে তারা সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি।

প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরা ধারণা করছেন, মুক্তামনি চারটি রোগের যেকোনো একটিতে আক্রান্ত। সেগুলো হলো—ডারমাল ভাসকুলার ম্যালফরমেশন বা চর্ম সংবহনতান্ত্রিক বিকলাঙ্গতা; লিমফেটিক ম্যালফরমেশন বা রসবাহী নালির বিকলাঙ্গতা; নিউরোফাইব্রোম্যাটোসিস বা জিনগত ব্যাধি, যা স্নায়ু টিস্যুতে টিউমার তৈরি করে এবং কনজেনিটাল হাইপারক্যারাটোসিস বা বহির্বিভাগ অর্থাৎ বহিঃত্বক কোষ পুরু থেকে পুরুতর হওয়া।

মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, আমরা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করব। তবে মুক্তা এতোদিন অপচিকিৎসার শিকার হয়েছেন। সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে তার চিকিৎসা হয়নি। মুক্তার হাতের ফাংশন আছে, হাত নড়াচড়া করতে পারছে। সে রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছে। তাকে এখন রক্ত দেয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।

অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে তৈরি করতে আরও ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে বলেও জানান ডা. সেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মুক্তামনির বিরল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ হয়। এরপরই সরকারিভাবে মুক্তামনিকে মঙ্গলবার চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Advertisements





সর্বশেষ খবর