মতামত/বিশেষ লেখা/সাক্ষাৎকার

মার্কিন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই-আহমদ রফিক

আহমদ রফিক

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০১৬ যতটা আলোড়ন ও আগ্রহ সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে বহির্বিশ্বে, যত দূর মনে পড়ে, গত কয়েকবারের নির্বাচনে ততটা দেখা যায়নি। এর কারণও রয়েছে। সে কারণ বড় বিচিত্র। এমন কথা শুনেছেন কেউ যে নিজ দলের প্রার্থীকে গ্রহণ করতে পারছেন না দলের শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ! এবং সে মনোভাব সংবাদপত্রে প্রকাশ পাচ্ছে বাছাই পর্ব থেকেই।

এ ঘটনা রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নিজ দলেই যদি ভিন্নমত থাকে, তাহলে সে প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু? কিন্তু তাঁকে বাতিল করা যায়নি। কারণ তাঁর পক্ষে শ্বেতাঙ্গ জনমত বেশ বড় রকম। ট্রাম্প মার্কিনি জাত্যাভিমান অনেকটা উসকে দিতে পেরেছেন মূল অধিবাসীদের উত্তর পুরুষে, বিশেষ করে তারুণ্যে ও যুবসমাজে। আর তা নিয়ে গণতন্ত্রমনা মানুষ খুব একটা স্বস্তিতে নেই; যেমন প্রার্থীর স্বদেশে, তেমনি দেশের বাইরে।

এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সরাসরি সে দেশের বিশেষ ধর্মীয় সম্প্রদায় ও বর্ণভিত্তিক জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাঁর মতামত উচ্চারণ করলেন প্রকাশ্যে নির্বাচনের প্রচারে, কোনো ধরনের দ্বিধা না করে। স্মরণকালের মধ্যে এবারই একজন অরাজনৈতিক, বৃহত্ ব্যবসায়ী সরাসরি প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে এসেছেন সর্বসম্মত দলীয় মতামতের তোয়াক্কা না করে।

এই প্রথম একজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী তাঁর বাছাই পর্ব থেকে শুরু করে দেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রকাশ্যে বিভাজন তৈরি করতে দ্বিধাবোধ করছেন না। এমনকি রাখঢাক না করে বলেছেন তাঁর পছন্দ-অপছন্দের কথা, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তোলার কথা। অভিবাসীদের নিয়ে বিরূপতা প্রকাশ করতে তাঁর বাধছে না। এমনকি বাধছে না নারী সমাজের উদ্দেশে বিরূপ মন্তব্য করতে, যেখানে রয়েছে ভোটারদের একটি বৃহত্ অংশ। এমন আত্মঘাতী বক্তব্য কোনো সুস্থ মস্তিষ্ক প্রার্থীর পক্ষে করা সম্ভব? ডোনাল্ড ট্রাম্প এসবই করে চলেছেন নির্বিচারে। কী ভেবে তিনি এসব করছেন? তিনি এই প্রতিযোগিতায় জিততে চান না এমন তো নয়। বরং হোয়াইট হাউসে বসে কী কী করবেন তার ফিরিস্তিও মাঝেমধ্যে দিচ্ছেন। বিব্রত রিপাবলিকান দলের নেতা অনেকে। ট্রাম্পের প্রশ্নবিদ্ধ আরেক দিক হলো, রাশিয়া তথা পুতিন সম্পর্কে নমনীয়তা।

তাদের আশঙ্কা, এবার বোধ হয় হোয়াইট হাউস দখল অসম্ভবই হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অসহ্য ডেমোক্র্যাটদের ধারাবাহিক বিজয়।  কিন্তু বড় কথা হলো, জনমত তথা ভোটার মত কী বলে—বাছাই পর্বে ও নির্বাচনী প্রচার পর্বে। সে কথায় পরে আসছি। তার আগে দেখা যাক ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের অবস্থা। বলার অপেক্ষা রাখে না যে ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও দলীয় রাজনৈতিক বিচারে হিলারি ক্লিনটনের প্রার্থিতা নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা নেই, যেমনটা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে। তদুপরি তিনি নারী, সুদর্শনা। এর একটা মূল্য তো আছেই, অর্থাত্ থাকার কথা ভোটারদের মধ্যে। একসময়কার ফার্স্ট লেডি ও পরে বিদেশমন্ত্রী হিসেবে হিলারি ক্লিনটনের একটা সুনির্দিষ্ট পরিচিতি রয়েছে। রয়েছে পারিবারিক খ্যাতি। সেসব তিনি যথাসম্ভব ‘ক্যাশ’ করে চলেছেন।

তার ফলাফলও দেখা যাচ্ছে জনসমাজ ও প্রচার মাধ্যমে। গণমাধ্যমে তাঁর অবস্থান বেশ তেজি, যা ট্রাম্প শিবিরে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিম সম্প্রদায়, হিস্পানি ও অভিবাসীরা তাঁর পক্ষে। আর এসব ট্রাম্পের উদ্ভট অবস্থানের কারণে। অর্থাত্ ভোটযুদ্ধে হিলারির অবস্থান যতটা ইতিবাচক জনপ্রিয়তার বিচারে, তা অনেকটাই নেতিবাচক সমর্থন অর্থাত্ প্রতিপক্ষকে অপছন্দের কারণে তাঁর প্রতি সমর্থন।

এককথায় ভোটের মাঠে নিরঙ্কুশ নয় হিলারির অবস্থান। এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে বিদেশমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর ই-মেইল বার্তা নিয়ে, অর্থনৈতিক দিক থেকে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের ন্যায্যতা নিয়ে। এসব নিয়ে কিছুটা তোলপাড় হয়েছে, আবার তা শান্ত হতে হতে শেষ মুহূর্তে অশান্তও হয়ে উঠেছে অ্যাসাঞ্জের উইকিলিকসের প্রকাশিত বোমা ফাটানো তথ্যে যে ওবামা ও হিলারি মধ্যপ্রাচ্যের বর্বর রাজনৈতিক দল আইএসকে প্রতিষ্ঠায় সাহায্যই করেননি, বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্যের ব্যবস্থাও করেছেন রক্ষণশীল মুসলিম রাজ্য সৌদি আরব ও কাতারের মতো দেশের মাধ্যমে।

এ তথ্য ফাঁস নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে হিলারি ক্লিনটনের জন্য অনেকটা পঞ্চাশের দশকে বাংলাদেশে বহু প্রচারিত ‘গোমর ফাঁক’-এর মতোই ঘটনা, কিছুটা বিস্ফোরকও বটে। এটা তো হঠাত্ হাওয়া, যদিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এর মধ্যেই গণমাধ্যমে হিলারি সম্পর্কে যেসব নেতিবাচক বিচার-ব্যাখ্যা উঠে এসেছে, তা-ও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। একাধিক আন্তর্জাতিক ঘটনা-বিশ্লেষক ও সাংবাদিক, সমাজচিন্তাবিদ তাঁদের লেখায় উল্লেখ করেছেন যে রাজনৈতিক মানসিকতার দিক থেকে হিলারি ক্লিনটন যুদ্ধবাদী, ব্যক্তি চরিত্র বিচারে কিছুটা উদ্ধত।

তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে সিরিয়া যুদ্ধে জ্বালানি যুক্ত হওয়ার প্রভূত আশঙ্কা। আশঙ্কা আঞ্চলিক যুদ্ধের প্রসার। ট্রাম্পের মতে, প্রেসিডেন্ট হিলারি ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে’র সূচনা ঘটাতে পারেন। তার চেয়ে বড় কথা, তাঁর মধ্যে সততার অভাব লক্ষ করছেন নির্বাচন বিশ্লেষক, কলাম লেখক কেউ কেউ। এমনকি এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নতুন তৃতীয় দল গ্রিন পার্টির প্রার্থী বলেছেন : ‘হিলারি বিপজ্জনক’। তাঁর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে এফবিআই।

দুই.

এত সব সত্ত্বেও গত কয়েক মাসের নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। এর প্রধান কারণ ট্রাম্পের উদ্ভট ও বর্ণবাদী, অমানবিক কিছু মন্তব্য। অন্যদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার হিলারিকে প্রকাশ্যে বলিষ্ঠ সমর্থন, যা প্রচারের চরিত্র অর্জন করেছে। ওবামার রাজনৈতিক কারিশমা এখনো ঈর্ষণীয়। তদুপরি ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে প্রচারে রয়েছে সক্রিয় ভূমিকা। মিশেলের অনুরাগীর সংখ্যা নেহাত কম নয়।

এ অবস্থায় হিলারির নির্বাচনী তরণীর পালে যে অনুকূল হাওয়া লাগবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু রাজনীতিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রই জানেন, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটের আগ পর্যন্ত শেষ কথা বলতে কিছু নেই। যেকোনো সময় হঠাত্ বিস্ফোরক ঘটনা সব হিসাব-নিকাশ একেবারে পাল্টে দিতে পারে। এমন ঘটনা দেশ-বিদেশের নির্বাচনে প্রায়ই দেখা যায়। দেখা গেছে, অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে, যা কারো কারো বিচারে অক্টোবর বা নভেম্বর বিস্ময় (‘সারপ্রাইজ’) হিসেবে বিবেচ্য।

উইকিলিকসের ফাঁস করা তথ্য হিলারির জন্য তেমনই এক বিস্ময়কর ঘটনা। কারণ এর ফলে হঠাত্ করে ওয়ালস্ট্রিটের শেয়ারবাজারে দরপতনের মতোই হিলারির জনপ্রিয়তায় এমনই ভাটার টান লেগে গেল যে নভেম্বরে পৌঁছে ট্রাম্প তাঁর সব নেতির টান অতিক্রম করে জনজরিপে হিলারিকে অতিক্রম করে গেলেন এবং তা এই প্রথম। বিস্ময় বিশ্বের রাজনীতি-অনুরাগী মানুষের জন্য।

কিন্তু ওই যে কথায় বলে না, নির্বাচন মানেই একের পর এক বিস্ময়, নতুনত্ব ও অভিনবত্ব! ট্রাম্পের ওই অভিযানের পরই আবার দেখা গেল জরিপে হিলারি ক্লিনটন ট্রাম্পের তুলনায় তিন পয়েন্টে এগিয়ে। হায় জনমত! এর ওঠানামায় শুধু বিস্ময় আর বিস্ময়। কে উঠবে, কে নামবে তা হলফ করে কখনো বলা যায় না। এটা নির্বাচনের এক বিশ্বব্যাপী প্রপঞ্চ। নির্বাচনের মাত্র এক দিন বাকি। জরিপে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প ও হিলারি সমানে সমান।

তিন.

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দুই প্রধান প্রার্থীর ইতি ও নেতিবাচক বিচার-বিশ্লেষণের বাইরে এবার যে বিষয়টি বিশ্লেষকদের ও নির্বাচন-অনুরাগীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তা যেমন বিস্ময়কর, তেমনি অভিনব। সম্ভবত দুই প্রধান দলের দুই প্রার্থীকে নিয়ে এই প্রথম তৃতীয় মতের ঘোষণা : ‘নো ট্রাম্প, নো হিলারি’; অর্থাত্ হিলারি নয়, ট্রাম্পও নয়। কারণ এই দুজনের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছে না ভোটারদের একাংশ, যদিও তারা সংখ্যা গৌণ। এই মতে সায় দিচ্ছেন কোনো কোনো সাংবাদিক-লেখক।

তাঁরা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বোকা’ বা ‘উন্মাদ’ বিবেচনা করছেন, অন্যদিকে হিলারি ক্লিনটনকে ট্রাম্পের চেয়ে অধিকতর ‘বিপজ্জনক’ মনে করছেন। ট্রাম্পের মতো তাঁদেরও বিশ্বাস, হিলারি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধিয়ে দিতে পারেন তাঁর কট্টর রুশ-চীন বিরোধিতায়। এই তৃতীয় মতের ভাষ্য হলো, তাঁরা দুজনই অযোগ্য প্রার্থী।

অবাক হওয়ার মতো ঘটনা যে এই তৃতীয় মতই নয়, এ ছাড়া একাধিক বিশ্লেষক ও চিন্তাবিদের বিচারে ভোটারদের বড়সড় অংশের চোখে এ দুজনই ‘অজনপ্রিয় প্রার্থী’। তাহলে কী হবে নির্বাচনের?

কাউকে না কাউকে নির্বাচিত করতেই হবে। হোয়াইট হাউসের সিংহাসন তো শূন্য রাখা যাবে না। তা সে মানুষটি জনপ্রিয় বা অজনপ্রিয় যেমনই হোক না কেন! তবু ভোটারদের ছোট একটি অংশ তথা তৃতীয় মতের ঘোষণা : ‘ভোট দিতে যেয়ো না। ওরা যোগ্য নয়।’ এই প্রথম এমন উচ্চারণ।

এ নির্বাচনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য ছোটখাটো দলের প্রার্থীদের মধ্যে সমাজবাদীদের প্রস্তাবিত প্রার্থীর উপস্থিতি, যদিও তা প্রধান দুই দলের ভোট-রেসে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তবে তাদের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে কোনো শক্তিমান সমাজবাদী প্রার্থীর আবির্ভাব কি একেবারেই অসম্ভব? কেউ কি কোনো দিন ভেবেছিল যে একজন কৃষ্ণাঙ্গ দু-দুবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশ পরিচালনা করবেন? তেমন অসম্ভবও তো সম্ভব হয়েছে।

চার.

এযাবত্ সবাই ধরে নিয়েছিলেন, জরিপমতে হিলারির বিজয় নিশ্চিত। রিপাবলিকান শিবিরে দেখা দিয়েছিল হতাশা, বিষণ্নতা। অক্টোবর বিস্ময় সব হিসাব পাল্টে দিয়েছে। এখন চলছে ট্রাম্প ও হিলারির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। দুই যোদ্ধা প্রবল প্রত্যাশা নিয়ে উত্তেজক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প শিবির উজ্জীবিত। তাদের ঘোষণা : হিলারি ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট হলে ই-মেইল বিতর্কে তাঁকে অভিশংসনের মুখোমুখি হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই।

বলা বাহুল্য, এদিক থেকে হিলারির জন্য পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে এফবিআই পরিচালক কমি-র ই-মেইলবিষয়ক তদন্ত, যা নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এতে অবশ্য অনেকেই হিলারির পক্ষে। তাদের অভিমত, নির্বাচনকালে এ ধরনের তদন্ত অবাঞ্ছিত। এ ছাড়া এবারের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বিপুল অঙ্কের ডলার ছড়ানো নিয়ে। রবীন্দ্রনাথ একদা মার্কিনি গণতন্ত্রের সমালোচনা প্রসঙ্গে সেখানকার নির্বাচনে কুবের দেবতার অর্থনৈতিক দৌরাত্ম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এতকাল পর এবার মার্কিনি বোদ্ধামহলে সে প্রশ্ন উঠেছে। তারা ‘চিন্তিত’।

এমন এক বিতর্কিত পরিস্থিতিতে প্রশ্ন—কে হচ্ছেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট—হিলারি না ট্রাম্প? চীনের ভবিষ্যদ্বক্তা বানর ট্রাম্পকে পছন্দ করলেও বাস্তব পরিস্থিতি মনে হয় হিলারির পক্ষে। ট্রাম্পের পক্ষে জাগরণটা দেরিতে এসেছে। হাতে সময় কম। এত অল্প সময়ে পরিবর্তনকে স্থিতাবস্থায় নেওয়া বড় কঠিন কাজ। ট্রাম্প পারবেন কি এ সময়ের মধ্যে পূর্বোক্ত কঠিনকে সহজ করে তুলতে? সবটাই নির্ভর করছে ভোটদাতাদের ওপর।

লেখক : কবি, গবেষক ও ভাষাসংগ্রামী

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment