রাজনীতি

মামলার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন খালেদা: কামরুল ইসলাম

মামলার ভয়ে লন্ডনে চলে গেছেন খালেদা জিয়া। তিনি জানেন তার বিরুদ্ধে কী রায় হবে, আর কী শাস্তি হবে। পালিয়ে গিয়ে এখন বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছেন কীভাবে আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় অথবা বানচাল করা যায়। ”

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “বেগম মুজিবের প্রেরণায় শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু তারপর জাতির পিতা হতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ২৩ বছর সংগ্রামী জীবনে সবসময় পাশে ছিলেন বেগম মুজিব। ” তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততার বিষয়টি পরিষ্কার। ফারুক, মোশতাক আর জিয়া জড়িত ছিলেন। জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে সার্জশিট হওয়ার কথা, কিন্তু মৃত বলে তা হয়নি। পাকিস্তানিদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই ছিল তাদের প্রধান কাজ। জিয়া হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছেন।
তিনি ছিলেন পাকিস্তানিদের এজেন্ট। ”

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি মনে করতে শুরু করেছে তারা বিচার বিভাগকে ক্ষমতায় আসার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করবে। ষোড়শ সংশোধনীতে তারা খুব আনন্দ করছে। এটি তাদের ভুল ধারণা, এটি কখনও হবে না। বিচার বিভাগের সঙ্গে সরকারের কোনও দ্বন্দ্ব ছিল না আর নেইও। আর অন্য একটি পক্ষ যারা কখনও ক্ষমতায় আসতে পারবে না, প্রার্থী হয়ে কখনও নির্বাচিত হবেন না, তারাই এখন সুশীল সেজেছেন। এরাই মূলত ১/১১ এর কুশীলব যারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ”

ছাত্রলীগ কর্মীদের উদ্দেশ্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “ইতিহাস বলে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি তখনই মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে, যখন ছাত্রলীগের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়, যেমনটি ১৯৭৫ সালেও হয়েছে। যদি ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ থাকতো তবে হয়তো এমনটা ঘটতো না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তারুণ্যের শক্তি কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। ”

কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান মোহনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক মোসফিখা বেগম ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। সভায় কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisements