স্বাস্থ্য

মানসিকভাবে আপনি কতটা স্বাস্থ্যবান

আড্ডায় কত কথা হয়। কেউ বুঝে আবার কেউ না বুঝে তর্ক করেন। আপনি হয়তো শান্ত প্রকৃতির মানুষ। কিন্তু কখনো কখনো ক্ষেপে যান। কারণ আপনার মতে, অন্যদের উল্টোপাল্টা কথা শুনে মেজাজ ও মন নিয়ন্ত্রণে থাকে না। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে এমনি এমনিই বিষণ্ণ ও হতাশ লাগে। তাই মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে।

এ লক্ষণগুলো আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের খবর জানাচ্ছে। অর্থাৎ শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও আপনাকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। এর জন্য কী করবেন? তেমন কিছু বিষয় জেনে নিন—

শরীর আর মনকে আলাদা করে দেখার কিছু নেই। জেনে হয়তো অবাক হবেন। কিন্তু সত্য বিষয় হল শরীরের মতো মনের ওপরও খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা রয়েছে। তাজা ফলমূল ও সবজি মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। মনকে ফুরফুরে রাখতে সঠিক খাবার খাওয়া জরুরী। অল্প কার্বোহাইড্রেট, পর্যাপ্ত প্রোটিন, প্রচুর তাজা শাকসবজি ও ফল দিয়ে তৈরি করুন সুষম খাবারের চার্ট। বেশী চর্বি ও চিনিজাতীয় খাবার আপনাকে ঠেলে দেয় বিষণ্ণতা ও হতাশার দিকে।

অপর্যাপ্ত ঘুম বা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যহানির অন্যতম কারণ। ঘুমের অভাব আমাদের ক্রমশ খিটখিটে ও বিষণ্ণ করে তোলে। কমিয়ে দেয় কর্মস্পৃহা। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এতে শরীর-মন পরের দিনের কাজের উপযোগী হয়।

মনের স্বাস্থ্যের জন্য দরকার শারীরিক ব্যায়াম। ব্যায়াম শরীরকে ছিপছিপে ও সুন্দর রাখে, ফলে বাড়ে আত্মবিশ্বাস। স্ট্রেস ও বিষণ্ণতা কমাতে ব্যায়াম দারুণ কাজ করে। তাই দৈনিক কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

স্ট্রেস কমানোর জন্য দরকার মানসিক ব্যায়াম। মেডিটেশন এক্ষেত্রে দারুণ উপকারী। দিনে ২৫ মিনিট ধ্যান মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করে। মাথা ঠাণ্ডা ও মনোযোগ ঠিক রাখে। বাড়তি টেনশন দূরে রাখে। যোগব্যায়ামে শরীর ও মন— উভয়েরই উপকার হয়। এ ছাড়া গান শোনা, বই পড়া, বাগান করা ইত্যাদি শখের কাজও আপনাকে স্ট্রেসমুক্ত রাখে।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট।

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment