খেলা-ধুলা

মঈন আলীর সাফল্যের কারিগর সাকলাইন মোশতাক

সাকলাইন মোশতাক বিশ্বমানের স্পিনারদের একজন। নিজেদের স্পিন শক্তি বাড়াতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তাকে নিয়োগ দিয়েছে। এর সুফলও পেতে শুরু করেছে ইংলিশরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ম্যাচ টেস্ট সিরিজে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য উপহার দিয়ে সেটিই যেন প্রমাণ করলেন মঈন আলি। নিজের সাফল্যের কৃতিত্ব তাই সাকলাইনকে দিতে কার্পণ্য করেননি এই ইংলিশ স্পিনার।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ইতিহাস গড়েন মঈন। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে চার ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ২৫ উইকেটে এবং ২৫২ রানের ডাবলসের রেকর্ড গড়েন তিনি। নিজের বোলিংয়ের উন্নতির জন্য সাকলাইনকে কৃতিত্ব দেন মঈন।

বিশ্বের সর্বকালের সেরা স্পিনারদের তালিকা করা হলে ওপরের দিকেই থাকবেন সাকলাইন মোশতাক। পাকিস্তানের হয়ে মাত্র ৪৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে ২০৮ উইকেট নিয়েছেন তিনি। নিজের অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার দিয়ে ইংলিশ স্পিনারদের দীক্ষা দিচ্ছেন সাকলাইন।

সাকি আমার ফিল্ডিং প্লেসমেন্ট এবং বোলিং বুঝতে দারুণ সহায়তা করেছে। এটি আমার জন্য অসাধারণ। কেননা, আমি আগের চেয়ে এখন দারুণ বোলিং করছি। এটাই সবচেয়ে বড় পার্থক্য।’

নিজেকে আগের চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে করেন মঈন, ‘আমি নিজের সামর্থ্যের ওপর অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং আমি মনে করি আত্মবিশ্বাসের ভিত গড়ে ওঠেছে। গত এক বছর ধরে আমি ভালো ব্যাটিং করছি এবং একইসঙ্গে বোলিংটাও ভালো হচ্ছে।’

আগের আর বর্তমান সময়ের মধ্যে পার্থক্যটা কোথায় সেটাও বুঝতে পারছেন মঈন আলি। যেমনটা বলছিলেন তিনি, ‘আমি নিজের বোলিং অ্যাকশন, ফিল্ডিং সেটিংস এবং যেই ব্যাটসম্যানকে মোকাবেলা করি- এসব আগের চেয়ে ভালো বুঝতে পারছি। এটিই বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। আমার ক্যারিয়ারের শুরুতে এসব নিয়ে খুব বেশি ভাবতাম না। আমি শুধু বোলিং করতাম এবং অধিনায়ক আমার জন্য ফিল্ডিং সাজিয়ে দিত। এই সিরিয়ে, আমিই নিজের জন্য ফিল্ডিং সাজিয়েছি।’