অপরাধ/দুর্নীতি

ব্যাগভর্তি বিদেশী মুদ্রাসহ শাহজালালে যাত্রী আটক

vব্যাংকক যাওয়ার সময় হ্যান্ডব্যাগ ভর্তি বিদেশী মুদ্রাসহ এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওই যাত্রীর নাম নওশের রায়হান (৩৪)। তার বাড়ি লক্ষীপুরের চন্দ্রাগঞ্জ পাচপাড়ায় । তার পাসপোর্ট নম্বর BK 0871234।

রায়হানের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মুদ্রার মধ্যে রায়েছে- ৪৯ হাজার সৌদি রিয়াল, এক হাজার ইউরো, ১৩ হাজার কাতার রিয়াল, ২০ হাজার ইএই দিরহাম এবং ৩৬০ থাই বাথ। এসব মুদ্রার মূল্যমাণ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৮ লাখ।

কসমেটিক্স চোরাচালানে ব্যবহার করতে এই মুদ্রা পাচারের চেষ্টা হয় বলে ধারণা করছে গোয়েন্দারা।

আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী জানান, তিনি ঢাকার চকবাজারে কসমেটিক্সের ব্যবসা করেন। তিনি বিমানের BG008 যোগে সকাল ৯টায় ব্যাংকক যাচ্ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোর্ডিং ব্রিজে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বাদামি রঙের হ্যান্ডব্যাগে বিদেশী মুদ্রা থাকার কথা অস্বীকার করেছিলেন।

শুল্ক গোয়েন্দার উপস্থিতিতে স্ক্যানিং করে ব্যাগের ভেতর কাগজের মুদ্রার অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। পরে ওই যাত্রীকে এয়ারলাইন্স থেকে অফলোড করে কাস্টমস হলে নিয়ে আসা হয়।

হ্যান্ডব্যাগের ভেতর রাবার ব্যান্ড দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় মুদ্রাগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ওই যাত্রী এয়ারলাইন্স থেক বোর্ডিং কার্ড নিয়ে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেন। তার সিট নং ৬সি। বিমানে উঠার আগ মুহূর্তে ১৬ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজে তার গতিরোধ করা হয়। পরে কাস্টমস হলে এনে তল্লাশি করে অবৈধভাবে বহনকৃত বিদেশী মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।

তার পাসপোর্ট যাচাই করে দেখা যায়, তিনি চলতি বছর ১৯ বার দুবাই যাতায়াত করেছেন। তিনি নিজেকে কসমেটিক্স ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ঢাকার চকবাজারে নাফিজ স্টোর্স নামে একটি দোকান আছে।

রায়হান জিজ্ঞাসাবাদে যাত্রী জানান, তিনি কসমেটিক্স কিনে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে এনে বিক্রি করেন।

শুল্ক ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, কোনো মুদ্রা পাচারকারী নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment