Advertisements
ঢাকা

বৃষ্টির কারণে ক্রেতাশূন্য বিপণী বিতান

অভিজাত বিপনী বিতান ও শোরুমগুলোতে পোশাকের দাম অনেক বেশি। তাই ফুটপাত ও ছোট মার্কেটই ভরসা নিম্ন আয়ের মানুষের। কিন্তু দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে ঈদের বাজার করতে পারেনি তারা। ঈদের কেনাকাটা করতে যারা ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন, বৃষ্টির কারণে দারুণ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের। একাধারে যানজট ও যানবাহনের সংকট। জলাবদ্ধতায় চলাফেরা দায়। ফলে আজ শনিবার ঈদ বাজার জমজমাট হওয়ার কথা থাকলেও রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ছিল না ক্রেতা সমাগম।

শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে চলে বৃষ্টি। আগের রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে পানি জমে ভোগান্তিতে পড়েন রাজধানীবাসী। তার ওপরে বিভিন্ন রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, ওয়াসার ড্রেন কাটা, ফ্লাইওভার নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি জমায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। নগরীর মৌচাক, মালিবাগ, মগবাজার, শান্তিনগর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের রাস্তাঘাট চলে যায় পানির নিচে। পানি-কাদায় পথচারীরা একেবারে নাজেহাল। বাইরে বেরিয়ে হাঁটার উপায় নেই। তার ওপরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বৃষ্টির পানি জমায় যানজটের সৃষ্টি হয়, যা রাজধানীবাসীর ভোগান্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই সরকারি ছুটির দিন হলেও বৃষ্টির কারণে ক্রেতাদের মার্কেটে আসতে দেখা যায়নি। অভিজাত মার্কেটগুলোও ফাঁকা থাকতে দেখা যায়।

ঈদের কেনাকাটার জন্য বিখ্যাত রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনিচক, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, ইস্টার্ন মল্লিকা, মোতালেব প্লাজা ও মিরপুরের বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতাসমাগম অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ছিল। ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত সময়ে দোকান খুলে বৃষ্টির কারণে ক্রেতার দেখা না পেয়ে কিছুটা হতাশ হন। যে সময় দম ফেলার সময় থাকে না সেই সময়ে ক্রেতা সংকট মেনে নিতে পারছিলেন না অধিকাংশ ব্যবসায়ী। নানা দিক বিবেচনায় পন্যের দাম অনেকাংশে কমিয়ে বেচতে দেখা যায়।

Advertisements