বিনোদন

বুড়ো বয়সেও যেভাবে তারুণ্য ধরে রাখেন সেলিব্রিটিরা

বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। অথচ চেহারার তার কোনো লক্ষণ নেই।

উল্টো বয়স যেন দিন দিন। এদের মধ্যে কাউকে আবার টিনএজারের মতোও দেখতে। আবার কাউকে দেখলে মনে হয় যেন নিজের মেয়ের বয়সি! মার্কিন শোবিজ অঙ্গনের এই সব তারকাদের দেখে মানুষের মধ্যে অনেক প্রশ্ন, কীভাবে তারা বার্ধক্য আটকে নিজেদের সৌন্দর্য ধরে রাখেন। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।
সিন্ডি ক্রফোর্ড
গত ৩০ বছর ধরে যেন একই চেহারা ধরে রেখেছেন আমেরিকার এই মডেল-অভিনেত্রী। দুই সন্তানের মা সিন্ডি ক্রফোর্ড তাঁর রূপ-রহস্য নিয়ে কথা বললেই তিনি বলেন, ‘‘দ্য সিক্রেট ইজ, দেয়ার ইজ নো সিক্রেট’’। যেগুলো সবাই জানে, সেই নিয়মগুলো মেনে চললেই হয়। যেমন পানি বেশি পান করা, ধূমপান না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, খোশমেজাজ ইত্যাদি। তবে নিজের তৈরি প্রডাক্ট লাইনের বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করেন সিন্ডি। সকালে উঠেই সুপারফুড স্মুদি খান আর চাইনিজ মেডিসিনের উপর ভরসা রাখেন। তবে তিনি এও বলেছেন, কম সময়ের মধ্যে এই নিয়মগুলো কাজে দেবে না। ৩০ বছর বয়স থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করলে তাঁর ফল পঞ্চাশের পর পাওয়া যাবে। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না।

জেনিফার অ্যানিস্টন

রুপচর্যায় যেসব শোবিজ তারকা সবচেয়ে বেশি খরচ করেন, তাদের মধ্যে প্রথম দিকেই থাকবেন জেনিফার অ্যানিস্টন। অনেকেই মনে করেন, ৪৮ বছর বসয়ী মার্কিন এই অভিনেত্রীর ত্বক আগের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল।

নানা রকম লেজার ট্রিটমেন্ট, ফেশিয়াল, বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতেই থাকেন তিনি। যোগ ব্যায়াম, এক্সারসাইজ আর ডায়েটের মধ্যে থাকেন সব সময়।

হ্যালি বেরি

হাজার হাজার টাকা খরচ করে হাই-এন্ড বিউটি প্রডাক্ট কেনার পক্ষপাতী নন আমেরিকার অভিনেত্রী হ্যালি বেরি। তার চেয়ে পেশাদারদের সাহায্য নেওয়াই পছন্দ করেন ৫০ বছর বয়সী এই শোবিজ তারকা। তাই সারা বছর তিনি ক্লিনজিং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজিং করেন।

কিন্তু বছরে অন্তত চার বার তাঁর প্রিয় বিউটি ক্লিনিকে গিয়ে যাবতীয় ট্রিটমেন্ট করিয়ে নেন। সারাদিন প্রচুন পরিমাণে পানি পান করেন। আর ডায়েটে চিনি একেবারেই রাখেন না।

জেনিফার লোপেজ

বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই সেটা। তার একটা বড় কারণ অবশ্য জেনিফার লোপেজের ঈর্ষণীয় ফিগার। হলিউড তারকার মতে, ওয়ার্কআউটই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি। তাছাড়া কঠিন ডায়েটের মধ্যে থাকেন জেনিফার লোপেজ।

নিজের তৈরি হেল্থ ফুড আর সাপ্লিমেন্টসের উপরই তার ভরসা করেন। ত্বকের জন্য নাকি আর পাঁচজনের মতোই সামান্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করেন। তবে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে মেকআপ তুলে ফেলেন প্রতিদিন।

রিজ উইদারস্পুন

আমেরিকান এই অভিনেত্রী বয়স চল্লিশ পেরিয়ে গেছে। তিন সন্তানের জননী রিজ উইদারস্পুন কোনো কোনো ইভেন্ট মেয়েকে নিয়ে হাজির হন। কিন্তু পাশাপাশি দাঁড়ালে কে মেয়ে আর কে মা এটা আলাদা করা যেকোনো মানুষের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন ‘লিগালি ব্লন্ড’ তারকা। আর স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলেন নিয়মিত।

তাঁর বিউটি রেজিমও খুব একটা জটিল না। একসঙ্গে অনেক প্রডাক্ট ব্যবহার না করে শুধু শ্যানেলের হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত ব্যবহারে বিশ্বাসী তিনি।