Advertisements
slider আন্তর্জাতিক

বিশেষ তকমা পেলো মাদার তেরেসার শাড়ি

মাদার তেরেসার পরনের সেই নীল পাড় সাদা শাড়ি এবার ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির স্বীকৃতি পেল। কলকাতায় তার প্রতিষ্ঠান মিশনরিজ অব চ্যারিটির ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি’ হিসেবে এবার এই শাড়িটি পরিগণিত হবে।

রবিবার একথা জানিয়েছেন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির অ্যাটর্নি বিশ্বজিৎ সরকার। তিনি জানান, ‘ভারত সরকারের ট্রেড মার্কস রেজিস্ট্রি, নির্দিষ্ট ধাঁচের নীল পাড়-সাদা শাড়িকে ট্র্রেড মার্কের রেজিস্ট্রেশন দিয়েছে। একটি বিশেষ ধরনের নীল পাড়ের সাদা শাড়ি, যেটা ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটি’র সদস্যারা পড়ে থাকেন, সেই শাড়িকেই এই তকমা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সাধারণত মিশনারিজ অব চ্যারিটিজ কোনোভাবেই প্রচার পছন্দ করে না। তবে এই নির্দিষ্ট শাড়ির ধরন যেভাবে যত্র-তত্র ‘ব্যবহার’ হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানের সেটা অপছন্দ।

প্রসঙ্গত এই শাড়িটির বিষয়ে ট্রেডমার্ক বৈধকরণের জন্য ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর আবেদন করা হয়। তারপর প্রায় ৩ বছর অপেক্ষার পর এই বৈধকরণের ওপর সিলমোহর দেয় ভারত সরকার। এই প্রথম কোনো ইউনিফর্ম ট্রেড মার্ক হলো।

উল্লেখ্য কোনো জিনিসের ওপর ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস লাগু হলে, সেই জিনিসটির ওপর একচছত্র অধিকার থাকে বিশেষ একটি প্রতিষ্ঠানের। এই প্রক্রিয়া আইনসিদ্ধ। এতে ট্রেড মার্ক বা কপিরাইট, অথবা পেটেন্ট কিংবা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন রাইটের কোনো একটি থাকে।

১৯১০ সালে ম্যাসিডোনিয়ার স্কোপজে শহরে একটি ক্যাথলিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মাদার তেরেসা। সিস্টার মেরি তেরেসা হিসেবে ভারতে আসেন ১৯২৯ সালে। ১৯৪৮ সাল থেকে কলকাতার পথশিশু, দুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন মাদার তেরেসা। পরে আর্তদের সেবায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মিশনারিজ অব চ্যারিটিজ’। তার সেবা-সাধনার জন্য ১৯৭৯ সালে পেয়েছেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। গত বছরই মাদারকে ‘সেন্ট’ উপাধিও দেয় ভ্যাটিক্যান সিটি। এরপর তার পরনের শাড়িটিও বিশেষ তকমা।

Advertisements