বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি লাইফ স্টাইল

ভ্রমন নিয়ে বিমানবালাদের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিমানভ্রমণ অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো মনে হয়।  তবে বিমান সেবিকাদের কিছু বিস্ফোরক স্বীকারক্তি শুনলে বিমানে চড়ার আগে অন্তত দুবার ভাববেন।  একটি বিদেশি ওয়েবসাইটে বিমান সেবিকারা চাঞ্চল্যকর কিছু স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।  সেগুলো পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হলো-

১. বিমানে ওঠার সময় সমস্ত ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয় যাত্রীদের।  কিন্তু জানেন কি, বিমান সেবিকারাই বিমানে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ব্যবহার করেন!

২. বিমানের বালিশ, কম্বল প্রতিবার ব্যবহারের পর ধোয়া হয় না।  সারা দিনের শেষে গন্তব্যে পৌঁছেই সেগুলো পরিষ্কার করা হয়!

৩. বিমানের চালকের হাতে প্রচুর ক্ষমতা।  যদি কোনো যাত্রী বিমানের মধ্যে ঝামেলা করতে থাকেন, বা কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেন, তা হলে ওই যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার অধিকার আছে চালকের!

৪. বিমান সেবিকারা জানান, যদি কোনো কারণে বিমানে অক্সিজেনের অভাব ঘটে, তা হলে আপনি ওই পরিবেশে সর্বাধিক ১৫ মিনিট সুস্থ থাকতে পারবেন।  তার বেশি নয়।

৫. বিশ্বাস করতে অসুবিধা হলেও এটাই সত্যি যে, যখন বিমান আকাশে ওড়ে তখন নাকি তার কোনো না কোনো অংশ ভাঙা থাকে।  বিমানের কোন অংশ ভেঙ্গে যেতে পারে, তার একটি তালিকা রয়েছে।  একে বলে মিনিমাম ইক্যুইপমেন্ট লিস্ট।  সেই তালিকানুযায়ী বিমানের কিছু অংশ ভাঙা হয়।  যেমন, যদি কোনো বিমানের সার্টেন লাইট ভাঙা থাকে, তা হলে বোঝানো হয় এই উড়োজাহাজ শুধুমাত্র দিনের বেলাতেই চলবে।

৬. খোদ বিমান সেবিকা এবং গ্রাউন্ড স্টাফরা বলেন, বিমানে আপনার ব্যাগেজ মোটেও সুরক্ষিত নয়।

৭. আপনি যদি অফারে টিকিট কেটে থাকেন, তা হলে বিমানে দেওয়া আপনার খাবার নিম্নমানের হতে পারে।  কারণ, বিমান সেবিকাদের হাতে প্রতিটি যাত্রীর কিছু ব্যক্তিগত তথ্য থাকে।  কোন যাত্রী বিমানযাত্রায় কতটা অভ্যস্ত, অফারে টিকিট কেটেছেন কিনা তাও জানা থাকে।  সেই অনুযায়ী খাবার পৌঁছায় আপনার কাছে।

৮. বিমান সেবিকারা জানাচ্ছেন, বিমানে যতটা সম্ভব খোলা পানি পান না করাই ভাল।  কারণ পানির ট্যাঙ্ক অনেক দিন পর পর পরিষ্কার করা হয়।  তবে প্যাকেজড ওয়াটার খেলে অসুবিধা নেই।