Default খেলা-ধুলা

বাংলাদেশের বিপক্ষে হারলে যে ক্ষতি হবে অস্ট্রেলিয়ার

আসছে নভেম্বরে অ্যাশেজে নামার আগে অস্ট্রেলিয়ার হাতে আছে কেবল বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসের রসদ যতটুকু মজুদ করার, টাইগারদের বিপক্ষে খেলেই সংগ্রহ করতে চায় অজিদের। চলতি মাসে সেই সিরিজ খেলতে আসছেন স্মিথরা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বলছে, খাজা-ওয়ার্নারদের এবার কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখেই পড়তে হবে। সেটা যদি রূপান্তর হয় ২-০তে হারে, তবে স্মরণকালের ভয়াবহ র‍্যাঙ্কিং বিপর্যয় নিয়েই অ্যাশেজে নামতে হবে অজিদের।

বোর্ডের সঙ্গে দীর্ঘ এক মাসের দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে আসছেন অজি ক্রিকেটাররা। বর্তমানে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের তিনে আছে তারা। গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে ২-১’এ বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি খোয়ানোর পর থেকেই অধঃপতনের শুরু স্মিথের দলের। মুশফিক-তামিমরা যদি সফরকারীদের ধবলধোলাই করতে পারেন, তাহলে সোজা টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ৬-এ নেমে যেতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে।

বাংলাদেশে এসে সিরিজটা যে সহজ হবে না, স্মিথদের সেটা নিয়ে সতর্কবাণী শুনিয়ে দিয়েছেন অজি গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল, ‘এটি কঠিন এক সফর হবে। চ্যালেঞ্জিং সফর হবে। আমি মনে করি না যে, তারা বিশ্বাস করে আসন্ন সফরটি কঠিন হবে না।’

টাইগারদের সাম্প্রতিক টেস্ট পারফরম্যান্সও সেটাই প্রমাণ করে। গত অক্টোবরে ঘরের মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিজেদের শততম টেস্টে জিতেছে মুশফিক বাহিনী। অথচ এই লঙ্কানদের মাটিতেই গত বছর টেস্টে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত স্বাদ আছে স্মিথ বাহিনীর। এশিয়ার মাটিতে সবশেষ ১৩ টেস্টে অজিদের জয় মাত্র ২টিতে।

সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০-তে হেরে যদি ৬-এ নেমে যায় অস্ট্রেলিয়া, অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলে র‍্যাঙ্কিংটা পুনরুদ্ধার করা তাদের জন্য কঠিনই হবে। নিজেদের মাটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে জো রুট বাহিনী নিজেদের ঝালিয়ে রাখছে সর্বোচ্চভাবেই।

সর্বনাশ এড়াতে একটাই পথ খোলা অজিদের সামনে। বাংলাদেশের বিপক্ষে যেকোনো মূল্যে সিরিজ জয়। সেটিও দুই টেস্টেই। কিন্তু সে কথা হয়তো নিজেরাও বিশ্বাস করছেন না স্মিথরা। টাইগাররা যে সাম্প্রতিককালে ছেড়ে কথা বলেনি এই ইংল্যান্ডকেও, ছেড়ে দেয়নি আসলে কোনও প্রতিপক্ষকেই।

Advertisements