slider আন্তর্জাতিক

প্রেসিডেন্ট হলে হিলারিকে নিয়ে যা ইতিহাস লিখতে হবে!

1aমার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকি। কিন্তু ইতিহাসের পাতা উল্টে-পাল্টে দেখলে অজানা অনেক কিছু সামনে চলে আসছে। এই ধরুণ, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কোনো নারী হিসেবে বড় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন হিলারি ক্লিনটন।

বর্তমান ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পেয়ে নিশ্চিতভাবেই তিনি ইতিহাসের পাতায় ঢুকে গেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট পদে নারী প্রার্থী হিসেবে তিনিই কিন্তু প্রথম নন। ছোট একটি দলের হয়ে প্রায় দেড়’শ বছর আগে এই পদে প্রার্থী হয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া ক্ল্যাফলিন উডহল নামের এক নারী অধিকার কর্মী। যদিও তার প্রার্থীতার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট হলে একদিন সবাইকে ছাড়িয়ে যাবেন হিলারি ক্লিনটন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্ত্রী হন দেশটির ফার্স্ট লেডি। তাই স্বামী বিন ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন দেশটির ফার্স্ট লেডি ছিলেন হিলারি।

আবার বারাক ওবামার প্রথম চার বছরের শাসনামলের দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব সামলান তিনি। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েও এক্ষেত্রে নারী হিলারি অনন্য। আর এ যাবৎকাল যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি, সেহেতু প্রথমে ফার্স্ট লেডি পরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, এক্ষেত্রে হিলারিই প্রথম।

তবে তার চেয়ে বড় কৃতিত্ব, প্রথম নারী হিসেবে ফার্স্ট লেডির পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করা। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী যে ইতিহাসের পাতায় ঢুকে যাবেন সেটা স্পষ্ট করে বলা যায়। আগামীকাল ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে সেই রায়টা দেওয়ার ক্ষমতা অবশ্য আমেরিকার জনগণের হাতে। তাই হিলারি ইতিহাসের সাক্ষি হচ্ছেন কিনা সেটা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বচনের ফল গণনা পর্যন্ত।

ভিডিওঃ বিদেশ গিয়ে আমাদের নারীরা কী করতে বাধ্য হচ্ছে দেখুন !

Add Comment

Click here to post a comment



সর্বশেষ খবর