বিনোদন

পাল্টে যাচ্ছে দেবের দর্শন, এবার দেখা যাবে চেনা হিরোর অচেনা চরিত্র

‘চ্যাম্প’ আর ‘ককপিট’ ঘরানা থেকে অনেক সরে গেলেন তিনি। আসছে তাঁর প্রোডাকশনের তৃতীয় ও চতুর্থ ছবি। জেনে নিন।

মাত্র পাঁচ বছর আগে চিত্রটা ছিল অন্য।

ব্যাঙ্ককে শ্যুটিং করছেন ‘রংবাজ’ ছবির। কোয়েলের সঙ্গে সমুদ্রতটে। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে- ‘ও মধু, ও মধু…’

তখনও তাঁর জীবনে আসেনি ‘চাঁদের পাহাড়’! জানা ছিল না তাঁর, তথাকথিত বাণিজ্যসফল নায়ক হিসেবেই সেফ জ়োনে থেকে যাবেন কি না।

সেই দেব এখন সাংসদ। প্রোডাকশন হাউসের মালিক। ক্রমবর্ধমান দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে বদলে ফেলছেন তাঁর ভিতরের অভিনেতাকেও।

আর এই মুহূর্তে তিনি ভাবছেন তাঁর নিজস্ব ব্যানারে ‘বিনয়-বাদল-দীনেশ’ ছবির কথা। তিনি নিজে করবেন দীনেশের চরিত্র। যাঁর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ইতিহাসের বইয়ে।

 

এই কনসেপ্ট নিয়ে তাঁর দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনিকেত চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু প্রধান বাধা ছিল বাজেট। পিরিয়ড ফিল্মের ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু প্রোডিউসার দেবই সেদিন ডেকে পাঠিয়েছিলেন অনিকেতকে। ‘‘অনেক আলোচনার পরে ঠিক করা হল, কমলেশ্বরদা পরিচালনা করবেন এই ছবি। আমি থাকব চিত্রনাট্যকার হিসেবে’’— ফোনে জানালেন অনিকেত।

‘চ্যাম্প’ ছবি দর্শকের কাছে পৌঁছতে না পৌঁছতেই হাত দিয়েছিলেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘ককপিট’ ছবির কাজে। আর এবার, ককপিট শেষ হতে না হতেই ঘোষণা করে দিলেন ‘কবীর’ ছবির কথা। এবার অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায়।

অনিকেতের মতে, কবীর এক দেশপ্রেমী সত্তার নাম। সত্যের সন্ধানে সে কখনও দাঁড়ায় জঙ্গিদের সামনে, কখনও বা এমন মানুষদের পাশে যাঁরা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। এভাবেই বদলাতে থাকে তার মতাদর্শ। তার দেশপ্রমের ধারণা।

আসলে দেব প্রস্তুতি নিচ্ছেন নিজের ভেতরের মানুষটাকে বদলানোর। নতুন উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার। কারণ, সাহস করে তিনিই তো হাত বাড়াতে চাইছেন সেই উন্নতশির, নির্ভীক দীনেশের দিকে।

‘কবীর’ শুধুই প্রস্তুতিপর্ব।