slider আন্তর্জাতিক

পর্তুগালে দাবানল, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২

পর্তুগালের মধ্যাঞ্চলে দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার থেকে সৃষ্ট এ দাবানলে আরো ৬১ জন আহত হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভয়াবহ এ দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছেন কয়েক’শ অগ্নিনির্বাপণকর্মী। একক দাবানলের দিক থেকে পর্তুগালে এটিই প্রথম এত বড় ঘটনা।

পর্তুগালের মিডিয়ার বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, শত শত দমকলকর্মী দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও তা সহসা নেভার লক্ষণ নেই। দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছেন প্রায় ১৭০০ দমকলকর্মী। তাদের বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন।

পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা বলেন, ‘পর্তুগালে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেসব দাবানলের ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে দুঃখজনক।’ নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা জানান তিনি। দাবানলে নিহতদের স্মরণে রবিবার থেকে জাতীয় শোক পালন করছে পর্তুগাল।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ গোমেজ বলেন, নিহতদের মধ্যে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয় গাড়ির ভেতর থেকে। আইসিএইট মোটরওয়েগামী একটি সড়ক থেকে ওই মরদেহগুলো উদ্ধার হয়। আর ১৭টি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে গাড়ির আশপাশ থেকে। গোমেজ জানান, মোটরওয়ের কাছাকাছি একটি গ্রাম থেকে আরও ১১টি মরদেহ উদ্ধার হয়।

জর্জ গোমেজ আরো জানান, শনিবার এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৯ জন বলা হয়েছিল। একদিন যেতে না যেতেই এ সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে।

পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে পেড্রোগাও গ্রান্ডের পাহাড়ি এলাকায় দাবানলের সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড দাবদাহ ও বৃষ্টিহীন বজ্রপাতের কারণে দাবানল হয়েছে বলে বলা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি গাছের ওপর বজ্রপাতে আগুন লেগে যাওয়ায় এ দাবানল সৃষ্টি হয়েছে।

পর্তুগিজ প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সৌসা শনিবার রাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং মৃত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। সূত্রে: রয়টার্স