Advertisements
অপরাধ/দুর্নীতি

নীলফামারীতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে গাছে বেধে নির্যাতন-আটক ৩

নীলফামারীতে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে গরু চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গাছে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন চালানোর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নির্যাতনের শিকার শেফালী এক কন্যা সন্তান প্রসব করলেও তাকে বাঁচানো নিয়ে সংশয়ে চিকিৎসকরা।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষনে শেফালীর সদ্য ভুমিষ্ঠ কন্যা সন্তান। মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় ৭ মাস বয়সে মাত্র ৯’শ গ্রাম ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে হলো তাকে। অপরিপুষ্ট সন্তানের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও শেফালী এখন অনেকটা নিরাপদ।

ঘটনার দিন বিষয়টি আমলে না নিলেও গণমাধ্যমে শেফালীর উপর নির্যাতনের খবরটি প্রচারিত হবার পর তৎপর হয় পুলিশ।

শেফালীর মামা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় মামলা করলে পুলিশ রফিকুল ইসলাম, খালেকুম বেগম এবং গ্রাম পুলিশ রশিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের বাইশপুকুর কোলনঝাড় গ্রামের গৃহবধু শেফালী বেগমকে শুক্রবার গরু চুরির অপবাদ দিয়ে প্রকাশ্যে গাছে বেধে, অমানবিক নির্যাতন করে এলাকার প্রভাবশালীরা।

জমি নিয়ে বিবাদে ২০১২ সালে প্রতিপক্ষের হাতে নিহত শেফালীর বাবা মবিয়ার রহমানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা তুলে না নেয়ার জের ধরে, চুরির মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ এ গৃহবধূর।

Advertisements





সর্বশেষ খবর