খেলা-ধুলা

নিজের পারফরম্যান্সের পেছনে কোনো অজুহাত দিতে চান না কায়েস

সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না টাইগারদের ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েসের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজে ওয়ান ডাউনে নেমে শেষ চার ইনিংসে তার সংগ্রহ মোটে ২১। এরপরও ২৮ সেপ্টেম্বর শুরুর অপেক্ষায় থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে কায়েসের দলে থাকবেন কিনা প্রশ্ন থাকতেই পারে।

এর আগে ওয়ান ডাউনকে নিজের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর পজিশন হিসেবে দাবি করলেও তবে আজ (বুধবার) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি শোনালেন আশার বাণী। জানালেন, তিন নম্বর পজিশনে স্বচ্ছন্দ হতে কাজ করছেন তিনি।

তিন নম্বরে এ যাবৎ কায়েসের পারফরম্যান্স তেমন আহামরি কিছু নয়। এ পজিশনে পাঁচ টেস্টে নয়টি ইনিংস খেলে একটি সেঞ্চুরি (১১৫) নিয়ে তার সংগ্রহ মোটে ২২৭। তবে সাম্প্রতিক এ রান খরা সাময়িক – এমনটা ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “দেখুন, একসময় ওপেন করেছি, সফলতাও পেয়েছি। এখন ওয়ান ডাউন করছি, ওয়ান ডাউনেও সেঞ্চুরি করেছি। এমন না যে ওয়ান ডাউনে খেলতে পারি না। হয়তোবা আমার গড় ওয়ান ডাউনে কম। তবে আমি উন্নতির চেষ্টা করছি। যাতে দিন দিন আরও ভালো কিছু করতে পারি।“

অস্ট্রেলিয়া সিরিজে নিজের বিধ্বস্ত পারফরম্যান্সের  পেছনে কোনো অজুহাত দাঁড় করাতে চান না ইমরুল। খেলোয়াড় হিসেবে দলের প্রয়োজনে যে কোন পজিশনে খেলার সক্ষমতা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, “প্রত্যেকটা সিরিজেই তো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত লক্ষ্য থাকে ভাল পারফর্ম করা। রান করা। নিজে রান করলে দল ভাল অবস্থায় থাকে। শেষ সিরিজে ভালো করতে পারি নাই, এটা অবশ্যই খারাপ লাগে। একটা খেলোয়াড়ের খেলতে হবে, যেখানে সুযোগ দেয়া হবে সেখানেই। একজন খেলোয়াড় হিসেবে কোনো ধরনের অজুহাত না দেয়াই ভালো।“

২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়ই অভিষিক্ত ইমরুল আসন্ন সিরিজকে গোটা দলের পাশাপাশি আলাদাভাবে নিজের জন্যও চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বলে জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ সবার জন্যই চ্যালেঞ্জিং, শুধু আমার জন্য না। যে কোন দেশের খেলোয়াড়ের জন্যই। সবাই জানে যে ওখানে কঠিন কন্ডিশন। তবুও চেষ্টা করবো ভাল খেলতে, নিজেকে মানিয়ে নিতে।“

তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদী তিনি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সূত্র টেনে তিনি বলেন, “আমি যখন খেলেছি ২০০৮ সালে। আমার অভিষেক হয়েছিল টেস্টে। আমার জন্য বেশ কঠিন ছিল। টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ছিলাম। অত কিছু বুঝতে পারি নাই কারণ তখন অভিষেক হয়েছিল। আমার জন্য অনেক কঠিন সিরিজ ছিল। ওখানে একাডেমিও খেলেছি, এ টিমেও খেলেছি। তবে খেলা যাবে, অতটা কঠিন না। খেলতে না পারার মত কিছু না।”