শিক্ষা

‘নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কেন প্রোগ্রামিংয়ে সেরা ?

2208092_kalerkantho-16-12-7‘নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে তরুণ  প্রোগ্রামারদের জন্য নানা ধরনের কার্যক্রম চালু আছে। প্রতি সেমিস্টারে ইন্ট্রা-এনএসইউ প্রোগ্রামিং কনটেস্টের আয়োজন করা হয়।

যার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের প্রোগ্রামিংয়ে আকর্ষণ বাড়ানোর চেষ্টা করি। ’ বললেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও এসিএম কো-অর্ডিনেটর সাজ্জাদ হোসেন। তিনি আরো জানালেন, ‘আমাদের এনএসইউ প্রবলেম সলভার্স কমিউনিটি আছে। তারা প্রতি সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ল্যাবে প্রোগ্রাম সলভিং ক্লাস করে। এভাবে এসিএম-আইসিপিসিসহ বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতির পাশাপাশি তাদের প্রোগ্রামিং দক্ষতাও বাড়ানোর চেষ্টা করি। ’ এসব কার্যক্রমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা ‘এসিএম-আইসিপিসি’সহ নানা প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় সাফল্য পাচ্ছেন।এসিএম-আইসিপিসির মূল পর্বে ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৯ ও সর্বশেষ ২০১৫ সালে তারা অংশ নিয়েছেন। নর্থ সাউথ এসিএম-আইসিপিসির ১২ বার রিজিওনাল ভেন্যু হয়েছে। কম্পিউটার অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের সভাপতি জাওয়াদ ইবনে ইসহাক বললেন, ‘২০১৫ সালে ভারতের কেরালার অমৃতাপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় আমরা চতুর্থ হয়েছি। ’ তিনি জানালেন, ‘ছেলেমেয়েরা এসব প্রতিযোগিতায় যাতে ভালো করে, সে জন্য ক্লাবের মাধ্যমে এসিএম-আইসিপিসির আদলে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা করি। ফলে তারা প্রতিযোগিতাগুলোয় ভালো করার জন্য প্রস্তুত হয়। ’ এ ছাড়া স্কুল-কলেজের প্রোগ্রামারদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা করে। এর সাফল্য জানাতে গিয়ে সাজ্জাদ হোসেন বললেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের ফলে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইনফরমেটিকসে (আইওআই) ব্রোঞ্জ জিতেছে। ’ ভালো প্রোগ্রামারদের সাফল্য বিচার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ১০০ শতাংশও স্কলারশিপ দেয়।

এসবের বাইরে ভালো প্রোগ্রামার তৈরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নতুন কিছু কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। ইন্ট্রা-এনএসইউ প্রোগ্রামিং কনটেস্টে বিশেষ সাফল্য পাওয়া প্রথম পাঁচজনকে ১০০ শতাংশ—এভাবে মোট ২০ জনকে স্কলারশিপ দেওয়া হবে। অত্যাধুনিক ‘এসিএম প্রোগ্রামিং’ ল্যাব তৈরি করা হবে। ল্যাবে বর্তমানদের পাশাপাশি বিদেশে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সেরা প্রোগ্রামাররাও এসে ক্লাস নেবেন। ‘অ্যালামনাই এসিএম ঢাকা’ নামে প্রোগ্রামারদের সংগঠন গড়ে তোলা হবে। ফলে সাবেক ও বর্তমান প্রোগ্রামাররা একই ছাতার নিচে চলে আসবেন এবং তাঁরা নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কাকে লজ্জা দেবার চেষ্টা! (ভিডিও)

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment