জাতীয়

দৈনিক ২২৫ টাকা কিস্তিতে হওয়া যাবে ফ্লাটের মালিক

জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ঢাকার মিরপুরের ১১নং সেকশনে বস্তিবাসী ও স্বল্প আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫৮৫টি ফ্লাট নির্মাণ করা হবে। দৈনিক ২২৫ টাকা ১১ পয়সা কিস্তি দিয়ে ফ্লাটের মালিক হতে পারবেন দরিদ্র মানুষেরা।

এসব ফ্লাটের আয়তন ৬৫৭ বর্গফুট। যার বিক্রয় মূল্য ২০ লাখ ২৬ হাজার টাকা। ২৫ বছর মেয়াদে মাসিক বা দৈনিক কিস্তিতে এর মূল্য মেটানো যাবে বলে জানান গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি তথ্য জানান। সামশুল হক চৌধুরীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমানে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ডের অধীনে মোট ২৭৮টি বাড়ি বেদখল রয়েছে। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন ঢাকা ও চট্টগ্রাম কার্যালয়ের অধিক্ষেত্রে মোট ১২৪টি পরিত্যক্ত বাড়ি বেদখলে রয়েছে। অপর পক্ষে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ড, ঢাকা ও চট্টগ্রাম কার্যালয়ের আওতায় মোট ১৫৪টি বাড়ি বেদখলে রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, এসব পরিত্যক্ত বাড়ির বসবাসকারীরা বিভিন্ন আদালতে মামলা মোকদ্দমা দায়ের করে অবৈধভাবে দখলে রেখেছেন। বিভিন্ন সময় উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেও তাদের উচ্ছেদ কার্যক্রম সফল হয়নি বলে জানান মন্ত্রী। সরকারদলীয় এমপি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিগত ২৯ মে ২০১৫ সালে দেশে একাধিকবার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে ও নিরাপত্তার জন্য বিল্ডিং কোড মেনে ইমারত নির্মাণের জন্য রাজউক কর্তৃক প্রিন্ট মিডিয়ায় জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। এছাড়া চট্টগ্রামে ঝুকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে একটি প্রাথমিক তালিকা করা হয়েছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করে তা অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এমপি সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে মোশাররফ হোসেন বলেন, কৃষিজমিতে যাতে আবাসন গড়ে না ওঠে এবং কৃষি জমি রক্ষাকল্পে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ২৩টি আবাসিক প্লট উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৪১টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া ২৭টি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।