slider অর্থনীতি-ব্যবসা জাতীয়

তুফানের মাস্তানি কারাগারেও চলছে!

বগুড়ায় শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও তার মাকে নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনার মামলার মূলহোতা তুফান সরকার ও কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকিকে ফের রিমান্ড ও জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রোববার বিকেলে জেলার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম সুন্দর রায়ের আদালতে হাজির করে তুফানের তৃতীয় দফা, রুমকির দ্বিতীয় দফা রিমান্ড আবেদন করলে আদালতের বিচারক এই আদেশ দেন। খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ।

এদিকে, বগুড়া জেলা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র পূর্বপশ্চিমকে নিশ্চিত করেছে, কারাগারে যাওয়ার পর প্রথম ২ দিন তেমন কোনো অপকর্ম করেনি তুফান সরকার। কিন্তু বুধবার রাতে ইয়াবা সেবনের জন্য পাগল হয়ে উঠে তুফান। এরপর কারারক্ষীদের সঙ্গে মাস্তানি শুরু করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার পর কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে তার বিচার হবে বলেও জানিয়েছে সূত্র।

গত ২৮ জুলাই বিকেলে বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকির চকসুত্রাপুর এলাকার বাসায় সদ্য এসএসসি পাস করা মেয়েটি ধর্ষণ ও শালিসের নামে মা-মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।