মতামত/বিশেষ লেখা/সাক্ষাৎকার

ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন, নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং বাস্তবতা-মোস্তফা কামাল

%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ab%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই মনে হচ্ছে। নির্বাচনের পর থেকেই শুরু হয়েছে নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও জ্বালাও-পোড়াও এবং প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা দেখে মনে হচ্ছে, এ যেন বাংলাদেশেরই চিত্র। সেখানকার সচেতন নাগরিকরা ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় নেমেছে। তাতে লেখা আছে, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প আমার প্রেসিডেন্ট নয়’। তাঁর নামের সঙ্গে নানা নেতিবাচক শব্দ জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের আগেও তাঁকে নিয়ে নানা রং-তামাশা আমরা দেখেছি।

মার্কিন এই ধনকুবের রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হবেন—এটাই ছিল অবিশ্বাস্য ব্যাপার। সাধারণত দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ব্যক্তিত্বরাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হয়ে থাকেন। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অভিজ্ঞ ও চৌকস-মেধাবী রাজনীতিবিদরাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হয়ে এসেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হতে হলে তাঁকে কিন্তু যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়। অথচ ট্রাম্পের ক্ষেত্রে যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়নি। তিনি অর্থ বিলিয়ে প্রার্থিতা কিনে নিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। এর অবশ্য প্রমাণও পাওয়া যায় ট্রাম্পের বক্তব্যে। নির্বাচনে হারলে তাঁর কত মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হবে, সে ইঙ্গিত তিনি আগেই দিয়েছিলেন। আসলে নির্বাচনকে তিনি ব্যবসা হিসেবে নিয়েছিলেন। এখানেও বিপুল পরিমাণ পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন।

ট্রাম্পের টাকার ছড়াছড়ি দেখে রিপাবলিকান দলের নীতিনির্ধারকরাও শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁরা চাননি, ট্রাম্প তাঁদের প্রার্থী হোন। পরে আমরা প্রকাশ্যেই তাঁদের বিরোধিতা করতে দেখেছি। রিপাবলিকান দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কেউ কেউ হিলারির পক্ষ অবলম্বন করেছেন। অনেকে নীরব ভূমিকা পালন করেছেন। আবার অনেকে ভোটদান থেকে বিরত ছিলেন।

ব্যক্তিগত আক্রমণে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন অবস্থা বাংলাদেশেও দেখা যায়নি। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে হিলারির ই-মেইল কেলেঙ্কারির তদন্ত করবেন এবং তাঁকে জেলে ঢোকাবেন বলেও হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরদিনই বারাক ওবামার স্বাস্থ্যনীতি বাতিল করবেন বলে অঙ্গীকার করেন। সেই সঙ্গে তিনি মুসলিমবিদ্বেষী কথাবার্তা বলেছেন। আবার হিন্দু সম্প্রদায়কে কাছে টানার চেষ্টা করেছেন। তিনি অভিবাসীদের ঝেঁটিয়ে বিদায় করার ব্যাপারে বক্তব্য দিয়েছেন। নারীদের নিয়েও তিনি নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। এসব কারণে আমেরিকায় তো বটেই, বাইরের দুনিয়ায়ও তাঁকে নিয়ে রসাত্মক আলোচনা হয়। তাঁকে ‘ভিলেন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনও যে জনপ্রিয় প্রার্থী ছিলেন, তা নয়। তবে ট্রাম্পের চেয়ে হিলারির ব্যক্তি ইমেজ অনেক ভালো। পর পর তিনটি বিতর্ক অনুষ্ঠানে দুই প্রার্থীকে আমরা দেখলাম। তাঁরা উভয়ে প্রথম বিতর্কে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন। আবার কিছু নীতির কথা; বিশেষ করে আমেরিকাকে নিয়ে তাঁদের ভাবনার কথা বলেছেন। নির্বাচিত হলে তাঁরা কী করবেন সে পরিকল্পনার কথাও আমরা তাঁদের মুখ থেকে শুনেছি।

হিলারির নীতি অনেকটাই ছিল স্পষ্ট ও স্বচ্ছ। আসলে তিনি দীর্ঘ আট বছর ফার্স্ট লেডি ছিলেন। তারপর চার বছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শিক্ষাজীবন থেকেই ডেমোক্রেটিক দলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি দলের নীতি-আদর্শ তো জানেনই, আমেরিকার নীতির বিষয়েও স্পষ্ট ধারণা তাঁর রয়েছে। তিনটি বিতর্কে আমরা দেখেছি, হিলারি শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে সব কথার জবাব দিয়েছেন। নিজের ভুলত্রুটির কথা স্বীকার করেছেন। ট্রাম্প তাঁকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করলেও তিনি উত্তেজিত হননি। তিনি ট্রাম্পের চেয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ কম করেছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প আপাদমস্তক একজন ব্যবসায়ী। রাষ্ট্রীয় নীতি সম্পর্কে পুরোপুরি অজ্ঞ। কোন দেশের সঙ্গে আমেরিকার কী নীতি সে বিষয়ে তাঁর কোনো ধারণাই নেই। আইএস ও অভিবাসী ইস্যুতে তাঁর যে অবস্থান, তা আমেরিকার নীতিবিরুদ্ধ। তিনি মূলত শ্বেতাঙ্গদের খুশি করার জন্য যা কিছু বলা দরকার তা বলেছেন। শ্বেতাঙ্গদের নার্ভটা তিনি ভালো জানেন। তারা কী চায় সেটা করার প্রতিশ্রুতি দিলেই তাদের মন জয় করা যাবে—এমন একটা নীতি নিয়েছিলেন তিনি। এতে যে অন্য ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মনে আঘাত লাগতে পারে সেটা তিনি ভাবেননি। তিনি আসলে অন্য ধর্ম ও সম্প্রদায়কে থোড়াই কেয়ার করেন।

ট্রাম্প ভুলে গেছেন, আমেরিকা অভিবাসীদের দেশ। অভিবাসীদের মেধা আর শ্রম-ঘামে গড়ে ওঠে আমেরিকা। তাদের আজকের শৌর্যবীর্যের নেপথ্যে তো তারাই। এটাই আমেরিকার সৌন্দর্য। অভিবাসী ছাড়া আমেরিকা মূল্যহীন-সৌন্দর্যহীন। ট্রাম্পের জন্ম আমেরিকায় হলেও তাঁর বাবা ছিলেন জার্মান নাগরিক। এর পরও ট্রাম্প অভিবাসীবিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। এটা আসলে তাঁর নিজের অবস্থান নয়, শ্বেতাঙ্গদের অবস্থান। শ্বেতাঙ্গরা তাদের আমেরিকা ফিরে পেতে চায়। সে আকাঙ্ক্ষা থেকেই ট্রাম্পকে তারা বেছে নিয়েছে।

প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন, তিনটি টিভি বিতর্কের পর আমরা দেখলাম, হিলারি এগিয়ে ছিলেন। আগে খুব কমই এ রকম অবস্থা দেখা গেছে। টিভি বিতর্কে দুই পক্ষের মধ্যে সাধারণত সমানে সমান লড়াই হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উনিশ-বিশ হয়ে থাকে। অথচ এবার সেটা হয়নি। বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের পছন্দের প্রার্থীও ছিলেন হিলারি। আর বিতর্কে পরাজিত ট্রাম্প দুষলেন সাংবাদিকদের। তাঁদের কারণেই নাকি তিনি বিতর্কে হেরেছেন।

তা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে আগাম যে জরিপ হয়েছে, তার প্রায় সব জরিপেই ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি এগিয়ে ছিলেন। আমেরিকার প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলো তো বটেই, সারা বিশ্বের গণমাধ্যমই কিন্তু হিলারির পক্ষে ছিল। তাই ট্রাম্প মিডিয়ার ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ ছিলেন। কখনো কখনো আমরা সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখেছি। তিনি গণমাধ্যমকে খুব নোংরা ভাষায় গালাগালও করেছেন।

সামগ্রিক বিবেচনায় হিলারির জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে তখন আমরা দেখলাম, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই তাঁর ই-মেইল ‘কেলেঙ্কারি’র অভিযোগ তুলল। এফবিআই প্রধান জেমস কোমি বললেন, হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে দাপ্তরিক কাজে ব্যক্তিগত        ই-মেইল ব্যবহার করেন। সেখানে রাষ্ট্রীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় বিষয় ছিল। এটা তিনি পারেন না। এর পরই আমরা দেখলাম, হিলারির জনপ্রিয়তা থমকে দাঁড়াল। নির্বাচনের মাত্র ১১ দিন আগে এফবিআইয়ের এই পদক্ষেপ হিলারির জন্য নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রাম্প ঘুরে দাঁড়ান। একপর্যায়ে দেখা যায়, হিলারির চেয়ে ট্রাম্প এক পয়েন্টে এগিয়ে গেছেন। আবার কখনো কখনো সমানে সমান অবস্থানও ছিল।

যদিও এফবিআই খোলাসা করে কিছু বলেনি। তা ছাড়া হিলারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন চার বছর আগে। তখনকার বিষয় নির্বাচনের আগে আগে কেন তদন্তের আওতায় আনা হলো? নিশ্চয়ই এর মধ্যে খারাপ উদ্দেশ্য ছিল!

নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে এফবিআই ঘটাল আরেক বিস্ময়কর ঘটনা। এফবিআই ঘোষণা করল, হিলারির ই-মেইলগুলোতে দূষণীয় কিছু ছিল না। তিনি নির্দোষ।

এ ঘটনাটিও সাজানো নাটক বলে ব্যাখ্যা করে বিশেষজ্ঞ মহল। এফবিআই এত দ্রুত কিভাবে ই-মেইলগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করল? এতে অবশ্য হিলারির কিছুটা লাভ হয়েছিল। জনমত জরিপে আবারও কিছুটা এগিয়ে ছিলেন হিলারি। নির্বাচনের আগের দিন রয়টার্সের জরিপে বলা হয়, হিলারির জয়ের সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ। সারা বিশ্বের মিডিয়াও প্রচার করেছে, হিলারি জিতবেন। কিন্তু সব ধরনের জরিপ ও ভবিষ্যদ্বাণী উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বিজয়ী হয়েছেন।

এখন বলা হচ্ছে, নির্বাচনের আগমুহূর্তে এফবিআইয়ের রহস্যজনক ভূমিকার কারণেই শেষ মুহূর্তে দোদুল্যমান ভোটাররা ট্রাম্পের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দোদুল্যমান ১৩ রাজ্যের প্রায় সব কটিতে ট্রাম্প জিতেছেন। আসলে ভোটাররা কারো পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিলে মিডিয়া কেন, কোনো শক্তিই তাকে ঠেকাতে পারে না।  ট্রাম্পের জয়ে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।

কিন্তু ট্রাম্পের জয়লাভের পর আমরা কী দেখলাম? অতীতে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। সেখানে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ স্টাইলে জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। প্রবল চাপের মুখে ট্রাম্প কিছুটা নমনীয়তার পথ বেছে নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি ঘোষণা করেছেন, হিলারির বিরুদ্ধে তিনি কোনো ব্যবস্থা নেবেন না। তা ছাড়া ওবামা কেয়ার স্বাস্থ্যনীতি পুরোপুরি বাতিল করবেন না; বরং সংস্কার সাপেক্ষে বহাল রাখবেন।

ট্রাম্পের পেজে মুসলিমবিদ্বেষী যে বক্তৃতা-বিবৃতি ছিল জয়লাভের পর তা মুহূর্তের মধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে। তবে অভিবাসীদের ব্যাপারে কঠোর অবস্থান বহাল রয়েছে। তিনি ঘোষণা করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের প্রায় ত্রিশ লাখ অভিবাসীকে তিনি ফেরত পাঠাবেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ যখন রাস্তায় বিক্ষোভ করছে, তখন তাঁর অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর ঘোষণাটি আগুনে ঘি ঢালার মতো হয়েছে। মিডিয়াতেও সেগুলো ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। এটা অব্যাহত থাকলে ট্রাম্প বড় ধরনের বিপদের মুখোমুখি হতে পারেন।

তার পরও আমরা আশাবাদী এ কারণে যে মার্কিন প্রশাসন অত্যন্ত শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইচ্ছা করলেই একজন প্রেসিডেন্ট মার্কিন নীতি-আদর্শের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারেন না। তাঁকে নিয়মনীতির মধ্যেই চলতে হবে। ভারতে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও অনেকে বলেছিলেন, বিরাট পরিবর্তন আসবে ভারতের সরকারি নীতির ক্ষেত্রে। কিন্তু কার্যত আমরা কী দেখলাম? ভারতের প্রশাসন তাঁকে এখন পর্যন্ত ‘আমূল পরিবর্তনের’ কোনো সুযোগ দেয়নি।

সবশেষে একটি গল্প দিয়ে লেখাটি শেষ করছি। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর গল্পটি আমাদের এক বন্ধু শেয়ার করেছেন। গল্পটি এ রকম—ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনকে বললেন, আইএস ধ্বংস করে দাও। তখন সিআইএ কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে দেখা করে বললেন, স্যার, এটা তো আমাদের সৃষ্টি। এটা বন্ধ করলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। কাজেই এটা করা যাবে না।

ট্রাম্প বললেন, ঠিক আছে; তাহলে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করে দাও।

কর্মকর্তারা বললেন, স্যার, এটা করলে তো পাক-ভারতের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তাতে ভারত সুপারপাওয়ার হয়ে যাবে। সেটা আমাদের জন্য সমস্যা হতে পারে। এটাও করা যাবে না।

ট্রাম্প বললেন, তাহলে যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ করো।

কর্মকর্তারা বললেন, স্যার, এটা করলে অস্ত্র বেচব কাদের কাছে? এটাও করা যাবে না।

ট্রাম্প বললেন, কোনো কিছুই যখন করা যাবে না, তাহলে আমার কাজটা কী?

কর্মকর্তারা বললেন, স্যার, হোয়াইট হাউস উপভোগ করুন!

 

লেখক : কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক

mostofakamalbd@yahoo.com

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment