খেলা-ধুলা

টেস্টকে বিদায় জানালেন ডুমিনি

গত জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ইংল্যান্ড সফরে দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। আসন্ন বাংলাদেশ সিরিজে তার দলে ফেরাটা তাই কঠিনই হতো। তবে দল ঘোষণার আগে টেস্ট ক্রিকেটকেই বিদায় বলে দিলেন জেপি ডুমিনি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আরো মনযোগী হতেই টেস্ট ছাড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ডুমিনি। শনিবার এক বিবৃতিতে জানালেন, অনেক ভেবে চিন্তেই বিদায় বলেছেন টেস্ট ক্রিকেটকে।

৩৩ বছর বয়সি ডুমিনি বলেছেন, ‘অনেক দিন ধরে বিচার-বিবেচনার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে টেস্ট ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। গত ১৬ বছরে দেশের হয়ে ৪৬টি টেস্ট ও কেপ কোবরার হয়ে ১০৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ দারুণ উপভোগ করেছি এবং এটা ছিল আমার জন্য সম্মানের।’

ডুমিনির টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে, পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অভিষেকে দ্বিতীয় ইনিংসে তার অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি ও পঞ্চম উইকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে ১১১ রানের জুটি রেকর্ড ৪১৪ রান তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। পরের টেস্টে খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১৬৬ রানের ইনিংস।
১২ টেস্ট খেলার পর তিনি ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দল থেকে বাদ পড়েন। ২০১২ সালের মার্চে জ্যাক ক্যালিসের চোট তাকে আবার টেস্ট দলে জায়গা করে দেয়। ওয়েলিংটনে ফেরার ম্যাচে করেন সেঞ্চুরি। ৪৬ টেস্টের ক্যারিয়ারে ছয় সেঞ্চুরিতে তার রান ২ হাজার ১০৩। অফ স্পিনে উইকেট নিয়েছেন ৪২টি।

টেস্ট ছাড়লেও ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানালেন ডুমিনি, ‘আমি নিশ্চিতভাবেই জানি, আমার খেলোয়াড়ী জীবন শেষ হওয়া থেকে এখনো অনেক দূরে। ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ), সতীর্থ, বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সমর্থন নিয়ে আশা করছি আমাকে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। যে খেলাটাকে এত ভালোবাসি, সেই খেলায় সেরাটা দেওয়ার সুযোগ পাব।’