Advertisements
ওপার বাংলা বিনোদন

জেলে বিক্রমকে দেখেই অস্বস্তিকর কাণ্ড ঘটালেন মা

হাইকোর্টে হাইকোর্টে বুধবার মামলার ফের শুনানি। তার আগে মা-পুত্রের দেখা সাক্ষাৎ হল।

দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় ছেলের সঙ্গে দেখা হল মায়ের।
মঙ্গলবার সকালে প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর মা মল্লিকা। কিন্তু সে সময় তিনি কোনও ‘পরিচয়-প্রমাণ’ আনেননি বলে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিকেলে তিনি ‘পরিচয়-প্রমাণ’ নিয়ে যান। তখন দেখা করার অনুমতি মেলে। সাক্ষাতের জন্য নির্দিষ্ট ঘরে মা-ছেলের দেখা হয়। সূত্রের খবর, বিক্রমকে দেখে কেঁদে ফেলেন মল্লিকা।


বিক্রম এখন রয়েছেন ‘আমদানি ওয়ার্ডে’। সোমবারও তাঁকে ওই ওয়ার্ডেই রাখা হয়েছিল। জেল সূত্রের খবর, বিক্রমের যেহেতু পরিচিতি রয়েছে তাই তাঁকে কোথায় রাখা হবে সেই সিদ্ধান্ত ভেবেচিন্তে নিতে হবে। সম্ভবত তাই তাঁর ওয়ার্ড বদল করা হয়নি। এদিন বিক্রম জেলের সাধারণ খাবারই খেয়েছেন। তবে বেশি কথা বলছেন না।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টে বিক্রমের মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানি সম্পূর্ণ হয়নি। আজ, বুধবার ফের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে’র ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি।
অভিনেতার আগাম জামিনের আবেদনটি বিবেচনাধীন থাকার মাঝেই কি গ্রেফতার প্রয়োজন ছিল, সেই প্রশ্ন তুলেছে ডিভিশন বেঞ্চ। যদিও রাজ্যের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপন করে থাকা বিক্রমকে হাতে পেয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনায় মডেল সোনিকা সিংহ চৌহানের মৃত্যুর পর প্রথমে পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪এ ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছিল। পরে বিক্রমের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য ৩০৪ ধারায় অভিযোগ আনে পুলিশ। গ্রেফতারের আশঙ্কায় গত ৫ জুন হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদনও করেন বিক্রম। গত ৬ জুলাই সেই আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। এরপর শুনানির দিন ধার্য করার দিনই গ্রেফতার করা হয় বিক্রমকে। এ নিয়ে বিক্রমের আইনজীবীরা হাইকোর্টে অভিযোগ জানান।
এদিন সরকারি আইনজীবী শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ধরেই তিনি (অভিনেতা) আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁকে মোবাইলে যোগাযোগ করা যায়নি। তাঁর বাবাকেও ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনও খবর দিতে পারেননি। বাড়িতেও তল্লাশিতে পাওয়া যায়নি বিক্রমকে। তাই তাঁকে হাতে পেয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।’’

Advertisements