অপরাধ/দুর্নীতি জাতীয়

জেলে বসে নিয়মিত যে নেশায় মত্ত বনানীর ধর্ষকরা

বনানী রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের মামলার প্রধান দুই আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু নাঈম আশরাফ এর আগে কারাগারে মারামারি করলেও এখন তাদের মধ্যে আবারো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। এমনকি একসঙ্গে তারা কোরবানির ঈদ করেছেন। একই সেলে থাকার কারণে সবাই নিজেদের মধ্যে সবকিছু ভাগাভাগি করছেন। কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সাফাত, সাদমান ও নাঈম আশরাফ বর্তমানে একই সেলে রয়েছে এবং তারা সেখানে বসে ইয়াবাও সেবন করছেন।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, তারা সাধারণ কয়েদী ও হাজতীদের সঙ্গে মিলে মিশেই আছেন। তবে তারা রাতের আঁধারে প্রায় সময়ই ইয়াবা সেবন করে। তবে তাদের হাতেনাতে ধরতে এখনো পারেনি কেউ। এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে ৬ই মে বনানী থানায় মামলা করেন নির্যাতিত এক তরুণী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮শে মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ তার জন্মদিনের দাওয়াত দেয় এই দুই তরুণীকে। এরপর বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মামলার বাদীকে সাফাত ও তার বান্ধবীকে নাঈম ধর্ষণ করে। এ সময় সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, র‌্যাগমান গ্রুপের মালিকের ছেলে সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও গানম্যান রহমতকে আসামি করা হয়। আসামিরা সবাই এখন কারাগারে রয়েছে।