Advertisements
খেলা-ধুলা

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে পাকিস্তান ৩৩৮ রানের পাহাড় চাপালো ভারতের উপর

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের ইতিহাসে ওখানে প্রথমবার খেলতে নেমেই বদলে ফেলতে যাচ্ছে নাকি পাকিস্তান! ব্যাট হাতে ভারতের বিপক্ষে এর মধ্যে অনেক কিছুই বদলে ফেলেছে। তবে কথা হচ্ছে, এই আসরের আগের ৬ ফাইনালে কেবল একবারই আগে ব্যাট করা দল জিতেছে। কিন্তু পাকিস্তান কি করেছে দেখুন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের রেকর্ড ছিল ২৬৫। সেটি ভেঙে পাকিস্তান রীতিমতো পাহাড়ই চাপিয়ে দিয়েছে চিরশত্রু ভারতের বিপক্ষে। ফখর জামানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, আজহার আলি, মোহাম্মদ হাফিজের ফিফটি ভারতের বোলিংকে পুড়িয়ে ছাই করেছে। ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৩৮ রান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলগত ইনিংস এখন পাকিস্তানের। এটি আবার ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে স্কোরও। এর আগে পাকিস্তানের ৩২৯ রান টপকেও জেতার রেকর্ড আছে ভারতের। এবার?

 তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো? ভারতকে তাহলে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিততে রেকর্ডই গড়তে হবে। রেকর্ড তৃতীয় শিরোপার জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালের ইতিহাস তাদের লিখতে হবে নতুন করে। ব্যাটসম্যানদের জ্বলে উঠতে হবে। পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের জবাবে কাঁপন ধরাতে হবে বোলারদের বুকে। দুই দলের মধ্যে আগের যে ইতিহাস তাও তো নতুন করে লেখারই দায় বিরাট কোহলির ভারতের!

ফখর ও আজহার মিলে ২৩ ওভারে ১২৮ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে দিয়ে গেছেন পাকিস্তান টস হারার পর। দুর্দান্ত ব্যাটিং তাদের। আর তাদের দেখাদেখি পরে আরো জুটি গড়েই ভারতকে বিপাকে ফেলেছেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বোলিংয়ের ধারের দেখা মেলেনি। দ্বিতীয় উইকেটে ফখর ও বাবর ৭২ রানের জুটি গড়েছেন। তৃতীয় উইকেটে বাবরের সাথে শোয়েব মালিকের ৪৭ রানের জুটি। চতুর্থ ওভারটা ২০ রানের। কিন্তু শেষ ৭.৩ ওভারে মোহাম্মদ হাফিজ ও ইমাদ ওয়াসিমের ৯.৪৬ গড়ে অবিচ্ছিন্নি ৫ম উইকেটের জুটিটা দলের টিলাটাকে পাহাড় বানিয়েছে দ্রুত।

সবাইকে ছাপিয়ে অবশ্য ওপেনার ফখরের নামটা আসে আগে। ১০৬ বলে ১২ চার ও ৩ ছক্কায় ১১৪ রানের ইনিংস খেলে গেছেন। শেষে ছিলেন দারুণ মারমুখী। ভারতীয় বোলাররা ছন্দ হারিয়েছেন। ফর্মে থাকা আজহার ৭১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে ফখরের সাথে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট। বাববর আযম এই ক্ষণকেই রান করার জন্য বেছে নিলেন। ৫২ বলে ৪২ তার। শোয়েব মালিক কিছু করতে না পারলেও আরেক অভিজ্ঞ মোহাম্মদ হাফিজ দারুণ খেললেন। ৩৭ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত তিনি। ২১ বলে ২৫ রানে অপরাজিত ইমাদ ওয়াসিম।

Advertisements