বিনোদন

‘চুলের মুঠি ধরে কঙ্গনাকে পেটাতেন আদিত্য’

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত এবং আদিত্য পাঞ্চলি বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। কঙ্গনা কোথায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন, আদিত্য যখন বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তখন সামনে এল আরও এক ব্যক্তির নতুন দাবি।

ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, আদিত্য পাঞ্চলি যে প্রকাশ্যে কঙ্গনা রানাওয়াতকে মারধর করেছেন, সেটা দেখেছেন তিনি। প্রয়োজনে আদালতে গিয়ে কঙ্গনার হয়ে তিনি সাক্ষ্য দিতেও রাজি।

ওই ব্যক্তির দাবি, কয়েক বছর আগের ঘটনা। রাত তখন প্রায় পৌনে বারোটা। তিনি বাইক চালাচ্ছিলেন। ওই সময় জুহুর একটি পাঁচতাঁরা হোটেলের সামনে আচমকাই এক নারীর চিৎকার শুনতে পান তিনি। কে চিৎকার করছেন, তা দেখতে গিয়ে দেখেন, অটো রিক্সায় উঠে এক নারী বাঁচাও বাঁচাও করে চিৎকার করছেন এবং রিক্সা চালককে আরও জোরে গাড়ি চালাতে বলেন। হঠাত করেই ওই অটোরিক্সা তার সামনে এলে, ওই নারী বলেন, ‘দয়া করে আমায় বাঁচান।’ এরপরই সাদা রঙের একটি গাড়ি থেকে এক ব্যক্তি নামেন এবং ওই নারীর চুলের মুঠি ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে মারতে শুরু করেন। ওই নারীকে বাঁচাতে গেলে, গাড়ি থেকে নেমে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘সর্দারজি আপনি সরে যান। এটা আমাদের পারিবারিক বিষয়।’

এরপরই ওই ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি সেদিন যাদের দেখেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন কঙ্গনা রানাওয়াত এবং অন্যজন আদিত্য পাঞ্চলি। সেই রাতে কঙ্গনা রানাওয়াতকে প্রকাশ্যে রাস্তার ওপর চুলের মুঠি ধরে আদিত্য পাঞ্চলি মারধর করেছিলেন বলে দাবি করেছেন ওই ব্যক্তি। ওই সময় চিৎকার, চেঁচামেচি শুনে আশপাশের বেশ কিছু মানুষও সেখানে হাজির হয়ে যান। প্রায় ৮-১০ জন সেখানে হাজির হলে, কঙ্গনা রাস্তা টপকে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

ওই রাতের ঘটনার পর পুলিশকে জানানো হয়েছিল এবং একটি জনপ্রিয় সংবাদপত্রের সাংবাদিককেও জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ওই ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, কঙ্গনার হয়ে যদি আদালতে সাক্ষ্য দিতে হয়, তাহলে তিনি রাজি বলেও জানিয়েছেন তিনি।