বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চার জোড়া চোখ, লাফিয়ে চলে এই মাকড়সা!

চার জোড়া চোখ। ! অন্যান্য মাকড়সাদের থেকে এদের আলাদা করে চিনে নিতে অসুবিধা হয় না।

সহজ ভাষায়, এই প্রজাতির মাকড়সাকে ‘জাম্পিং স্পাইডার’ বলা হয়। অর্থাৎ, শিকার ধরতে, বা খানাখন্দ পেরতে এরা অনায়াসেই লাফাতে পারে।

জানা যায়, বিশ্বে ৫৮০০ ধরনেরও বেশি এমন জাম্পিং স্পাইডর রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি সেই সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত হল আরও দুই।

মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও অঞ্চলের অ্যারে মিল্ক কলোনিতে সম্প্রতি পাওয়া গিয়েছে দুটি নতুন ধরনের জাম্পিং স্পাইডার— অনিক্স ও ল্যাকটিয়স। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই দুটি জাম্পিং মাকড়সাই ‘ল্যাঙ্গেলুরিলাস’ শ্রেণির।

প্রসঙ্গত, ‘ল্যাঙ্গেলুরিলাস’ শ্রেণির মাকড়সা আদতে আফ্রিকা মহাদেশের বাসিন্দা। এই প্রথম তাকে পাওয়া গেল এশিয়ার মাটিতে। চার সদস্যের একটি গবেষকদের দল, ‘ল্যাঙ্গেলুরিলাস’ শ্রেণির মাকড়সা দুটি আবিষ্কার করেন ২০১৬ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরেই। কিন্তু তা জনসমক্ষে আসে গত বুধবার, ‘জুটাক্সা’ নামে এক জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার পর।

চলতি বছরের মে মাসে, মহারাষ্ট্রের অ্যারেতেই পাওয়া গিয়েছিল জাম্পিং স্পাইডারের আরও একটি ধরন, নাম ‘পিরানথাস ডেকোরাস’। চার সদস্যের গবেষক দল জানান যে, এই শ্রেণির মাকড়সাটি এর আগে পাওয়া গিয়েছিল তৎকালীন ব্রিটিশ শাসিত বর্মায়, বর্তমানের মায়ানমারে। নতুন প্রজাতির এই মাকড়সা আবিষ্কারে যেমন সকল গবেষকই বেশ উত্তেজিত, তার সঙ্গে এক নতুন তথ্যও উঠে এসেছে— আফ্রিকার ‘ল্যাঙ্গেলুরিলাস’ শ্রেণির মাকড়সা সুদূর এশিয়াতে পাওয়া গিয়েছে। তা হলে কি বলা যেতে পারে যে, এই দুই মহাদেশ একই ভূখণ্ডের অংশ ছিল! অর্থাৎ, ভারতের সৃষ্টি হয় গন্ডোয়ানা থেকেই। সূত্র: এবেলা