বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

চার্জার ছাড়াই আইফোনে হবে চার্জ!

22স্মার্টফোনগুলোতে এখন চার্জ দিতেই চার্জ যায় ফুরিয়ে। তাছাড়া রয়েছে চার্জারের পিন নিয়ে সমস্যা। কারণ চার্জারের পিনে কোনো সমস্যা থাকলে সেটি অকেজো হয়ে যায়। তাই তারবিহীন চার্জ ব্যবস্থা প্রবর্তন প্রযুক্তিবিদদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে সেই চ্যালেঞ্জেও উত্তরণের জয়যাত্রা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আপনার প্রিয় আইফোনটিকে এখন আর চার্জার কেবল দিয়ে চার্জ দিতে হবে না। তার বদলে থাকবে নতুন ধরনের ওয়্যারলেস চার্জিং টেকনোলজি।

নতুন এক টেকনোলজির ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, আইফোন ৮-এ থাকবে ওই নতুন ধরনের ওয়্যারলেস চার্জিং টেকনোলজি, এতে ফোন চার্জিংয়ের জন্য কোনো চার্জিং প্যাডের প্রয়োজন পড়বে না।

অ্যাপল আইফোন ৮-এ এমন এক চার্জিং প্রযুক্তি নিয়ে আসবে, যা একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকেও কাজ করবে।

কিছু দিন আগে জানা গেছে, ‘ওয়্যারলেস চার্জিং’ প্রযুক্তি নিয়ে বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে অ্যাপলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংস্থা ফক্সকন।

এছাড়াও ২০১৭ সালে আইফোন মুক্তির ১০ বছর পালন করবে অ্যাপল। ওই সময়-ই আইফোন ৮ নিয়ে আসবে এই মার্কিন সংস্থা। আইফোন ৮-এ বেশ কিছু চমক থাকতে পারে। এসব চমকের মধ্যে থাকতে পারে ইন্টিগ্রেটেড টাচ আইডি সেন্সর এবং ওএলইডি ডিসপ্লের মতো বেশ কিছু ফিচার।

অটোনামা ডি বার্সেলোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একদল তরুণ গবেষক সেই আশার পালে হাওয়া দিচ্ছেন। সম্প্রতি তারা দুইটি পরস্পর পৃথক বর্তনীর মধ্য দিয়ে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহের এক অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। যদিও এটি নিয়ে এখনও পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। তবে গবেষকরা এই বিষয়ে বেশ আশাবাদী। অবশ্য ইতোমধ্যে ডকিং চার্জার ব্যবস্থা বাজারে চলে এসেছে। এই ডকের উপর ফোনটি রাখলেই চার্জ হয়।

তারা আবিষ্কৃত ব্যবস্থায় মূলত ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (আয়রনের যৌগ) ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী উপাদান (যেমন: কপার বা তামা) একত্রে স্তরীভূত করেন। তারা নতুন সৃষ্ট পদার্থের নাম দিয়েছেন ‘মেটা উপাদান’। এটি বিদ্যুতের নিঃসরণ ও সংরক্ষণে একসাথে একই সময়ে কাজ করে। ফলে দূরবর্তী দুইটি বিদ্যুৎ বর্তনীর মধ্যে অতি সহজেই বিদ্যুৎ আদান প্রদান করতে পারে। এক্ষেত্রে গবেষণাগারে তারা দুইটি আলাদা বর্তনীকে মেটা উপাদানের খোলস দিয়ে আবৃত করেন। এরপর একটি বর্তনীতে তড়িৎ সরবরাহ করা হয়। কিছু সময় পর অপর বর্তনীতে তড়িৎ পরিমাপ করলে দেখা যায়, সেখানেও বৈদ্যুতিক শক্তি স্থানান্তরিত হচ্ছে।

এই বিদ্যুৎ শক্তি সরবরাহের হারও অনেক বেশি (স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩৫ গুণ)। তবে তারা ধারণা করছেন, পারিপার্শ্বিক অবস্থা আর উপাদানের উৎকর্ষ সাধন করলে আরও অধিক হারে শক্তি স্থানান্তর সম্ভব। তাদের ধারণা, মেটা উপাদানের খোলস বর্তনী দুইটিতে ব্যবহারের ফলে তাদের মাঝে দূরত্ব তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়ে যায়। ফলে তারা একত্রে থাকা অবস্থায় যেমন শক্তি স্থানান্তর করত, এক্ষেত্রেও তাই ঘটবে।

তারা আশা করছেন, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনেও হয়তো পিনের সংযোগ ছাড়াই বিদ্যুৎ পাঠানো যাবে। তখন হয়তো চার্জ নিয়ে থাকবে না আর কোনো অভিযোগ।

ভিডিওঃ এবার জয়া আহসানের মত বিদ্যা সিনহা মিম একি অশ্লীল কান্ড করলেন

Add Comment

Click here to post a comment