আন্তর্জাতিক

চাকরি পেতে কুমারীত্বের পরীক্ষা দিতে হয় যে দেশে

22এমন চাকরি রয়েছে, যে চাকরিতে কোন মেয়ে যোগদানের আগে ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে দেখা হয়, মেয়েটি কুমারী কী-না!

ব্রাজিলের সাও পাওলোতে কোন মেয়ে যদি শিক্ষকতার পেশায় যুক্ত হতে চান, তাহলে ডাক্তারি সার্টিফিকেটের মাধ্যমে তাকে আগে প্রমাণ করতে হয় যে, তিনি সক্রিয় যৌন জীবন-যাপন করছেন না।

তবে এই সার্টিফিকেট পেতে হলে মেয়েদের সরকারের দ্বারা স্বীকৃত কোন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের দ্বারস্থ হতে হয়। সাধারণত ডাক্তারি পরীক্ষায় প্যাপ স্মেয়ার টেস্টের মাধ্যমে চাকরি প্রার্থী মেয়েদের পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার সময়ে স্পেকুলাম নামক যন্ত্রের মাধ্যমে যোনিমুখকে বিবর্ধিত করে জরায়ুমুখ থেকে কোষের ক্ষুদ্র অংশ পরীক্ষার জন্য কেটে নেওয়া হয়। ফলে এই পরীক্ষা মেয়েদের জন্য শুধু যে অবমাননাকর তা নয়, শারীরিকভাবেও যন্ত্রণাদায়ক।

এই ব্যাপারে দেশটির প্রশাসনের দাবি, এই পরীক্ষার মাধ্যমে আসলে যাচাই করে দেখা হয়, যিনি শিক্ষকতার কাজে যুক্ত হচ্ছেন, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ কী-না। তিনি অন্তত ২০ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে এই চাকরি করে যেতে পারবেন কিনা। তিনি নিয়মিত স্কুলে বা কলেজে উপস্থিত থাকতে পারবেন কী-না।

যদিও মানবতাবাদী এবং নারীবাদী সংগঠনগুলি এই যুক্তি মানতে একেবারে নারাজ। তাদের বক্তব্য, এই পরীক্ষা একটি মেয়ের স্বাধীনতা ও সম্মানে সরাসরি হস্তক্ষেপ।

ভিডিওঃ ভার্সিটির মেয়েদের সন্ধ্যার পর এ কেমন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে! দেখুন ভিডিও

Add Comment

Click here to post a comment



সর্বশেষ খবর