মতামত/বিশেষ লেখা/সাক্ষাৎকার

চাই নতুন রেনেসাঁস-আবুল কাসেম ফজলুল হক

%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%ab%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%95বাংলাদেশের জনগণ আজ যে রাজনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত, তা থেকে বিনা প্রস্তুতিতে, সহজে গতানুগতিক ধারায় উদ্ধার লাভের আশা করছেন প্রায় সবাই। সংকটের গভীরতাও উপলব্ধি করছেন না প্রায় কেউই। ইতিহাসের দিক দিয়েও সংকটকে কেউ বুঝতে চাইছেন না। বিশ্ববাস্তবতার মধ্যে নিজেদের স্বাতন্ত্র্যের কথাও কেউ ভাবছেন না। সংকট গভীর থেকে গভীরতর হয়ে চলছে। জনগণ হতোদ্যম, মনোবলহারা, ঘুমন্ত! জনগণ গভীর নিদ্রায় মগ্ন! আমার মনে হয়, এই সংকট থেকে মুক্তি লাভের কোনো সহজ উপায় নেই। বাংলাদেশের জনগণের জন্য এ হবে সবচেয়ে কঠিন কাজ। কঠিন কাজের জন্য অবশ্যই কঠিন প্রস্তুতি দরকার হবে। যাঁরা বিনা প্রস্তুতিতে, বিনা প্রচেষ্টায় চলমান ধারায় সংকটের সমাধান আশা করছেন, তাঁরা আহাম্মকের স্বর্গে বাস করছেন।

গণজাগরণ আশা করা হয়। গণজাগরণ এত সহজ ব্যাপার নয়। সেই ১৯০৫ সাল থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত পৌনে এক শতাব্দী ছিল আমাদের গণজাগরণের কাল। তারপর আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি। আমাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। গণজাগরণে দেশব্যাপী জনগণের মধ্যকার মহত্ সব মানবিক গুণের জাগরণ ঘটে। জনগণ মহান কিছু অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সংগ্রামে লিপ্ত হয়। হুজুগ আর গণজাগরণ কখনো এক নয়। কোনো স্বার্থান্বেষী মহল হীনস্বার্থ হাসিলের জন্য হীন-উদ্দেশ্যমূলক প্রচার-প্রচারণা দিয়ে জনসাধারণকে আন্দোলনে মাতায় এবং কৌশলে স্বার্থ হাসিল করে নেয়। এ ধরনের গণ-আন্দোলনই হুজুগ। ১৯৮০-র দশক থেকে বাংলাদেশে তো হুজুগের পর হুজুগই দেখা গেছে। এই সময়ের ঘটনাবলিতে জনজীবনের মহত্ মানবিক গুণাবলির প্রকাশ কোথায়? মহান লক্ষ্য কোথায়? এই ধারার তত্পরতার মধ্য দিয়ে জনজীবনের অবস্থা ভালো হবে? গণজাগরণ অপরিহার্য। কিন্তু কিছু লোক গণজাগরণ চাইলেই তো জনগণ ঘুম থেকে জেগে উঠবে না! জনগণের ঘুম ভাঙানো কঠিন, চেষ্টাসাপেক্ষ ব্যাপার। কার ডাকে কেন সাড়া দেবে জনগণ? সমাজের স্তরে স্তরে জনগণ এখন আছে প্রবলদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। দুর্বলের ডাকে সাড়া দিতে পারে এই জনগণ?

গণজাগরণের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রথমে দরকার রেনেসাঁসের সূচনা। রেনেসাঁস ছিল এ দেশে। কিন্তু সবারই কর্মদোষে সেই রেনেসাঁস শেষ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় পুরনো রেনেসাঁস ফিরিয়ে আনা কিংবা তার পুনরুজ্জীবন ঘটানো সম্ভব নয়। নতুন প্রয়োজনে সৃষ্টি করতে হবে নতুন কালের নতুন রেনেসাঁস।

নতুন রেনেসাঁসের জন্য চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তি খাটিয়ে অতীতের রেনেসাঁস ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য নতুন রেনেসাঁস দুটি সম্পর্কেই যথাসম্ভব পরিচ্ছন্ন ধারণা অর্জন করতে হবে। কী ছিল, কী আছে, কী হবে—অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তার স্পষ্ট চিত্র সামনে রাখতে হবে। রেনেসাঁস বলতে বোঝায় নবজন্ম—সভ্যতা-সংস্কৃতির নবজন্ম। কোনো জাতির জীবনে রেনেসাঁস দেখা দিলে ক্রমে সেই জাতিরই নবজন্ম ঘটে—জাতি নতুন জীবন লাভ করে। কোনো জাতির সভ্যতা-সংস্কৃতির মধ্যেই নিহিত থাকে সেই জাতির মানবীয় গুণাবলি।

যে রেনেসাঁস চতুর্দশ শতাব্দীতে পশ্চিম ইউরোপে সূচিত হয়েছিল তার মর্মে ছিল সত্য ও ন্যায়ের সন্ধানে অদম্য স্পৃহা এবং মিথ্যা, অন্যায় ও দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্তির প্রবল আকাঙ্ক্ষা। রেনেসাঁসের মধ্যেই মানুষ মানবীয় মূল্যবোধ ও শাস্ত্রনিরপেক্ষ যুক্তি অবলম্বন করে এবং পরকালের দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে ইহকালের দিকে ভালো করে তাকায় আর ঈশ্বরকেন্দ্রিক, গির্জাকেন্দ্রিক, বাইবেলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির জায়গায় মানুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করে। ক্রমে মানব জাতির মধ্যে উপলব্ধি জাগে যে মানুষের শক্তি ও সম্ভাবনা ক্রমবর্ধমান ও অফুরন্ত। তাতে মানুষের চিন্তা ও কর্মের প্রকৃতি বদলে যায়। মানুষ আত্মশক্তিতে আস্থাশীল ও আত্মনির্ভর হতে থাকে এবং ঈশ্বর ও ধর্মগ্রন্থের ওপর নির্ভরশীলতা ত্যাগ করতে করতে আত্মশক্তিতে আস্থাশীল হয়। রেনেসাঁস এক বিকাশশীল প্রত্যয়। তখনকার রেনেসাঁস ছিল মধ্যযুগের গর্ভ থেকে আধুনিক যুগকে মুক্ত করার এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে জীবনবাদী নতুন নতুন সৃষ্টি ও আবিষ্কার-উদ্ভাবন দিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অবস্থাকে সমৃদ্ধ ও সুন্দর করার দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন। রেনেসাঁস হলো এক দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যা দ্বারা মানুষের জীবনগত দৃষ্টিতে মৌলিক পরিবর্তন ঘটে চলে এবং সর্বক্ষেত্রে আঁকাবাঁকা উঁচুনিচু পথ ধরে সৃষ্টি ও প্রগতির ধারা বহমান থাকে। রেনেসাঁসে ‘ক্ল্যাসিকে’র চর্চা ছিল, কিন্তু অতীতকে ফিরিয়ে আনার কিংবা অতীতে ফিরে যাওয়ার মনোভাব ছিল না—দৃষ্টি ছিল সামনে। রেনেসাঁসে ভালোর সঙ্গে মন্দও ছিল—ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ ও তার সমাজ। মন্দবিহীন শুধু ভালো কিছুই পাওয়া যায় না। রেনেসাঁসের ভাবপ্রবাহের বিকাশের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে দেখা দেয় উপনিবেশবাদ, ক্রুসেড ও সাম্রাজ্যবাদ। খ্রিস্টান ও ইহুদিদের মধ্যেও গেছে বিরোধ। উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামও চলে। মানুষের সমাজে ভালো মন্দকে পরাজিত রাখবে এবং প্রগতির বাধা দূর করে এগিয়ে চলবে—এটাই ছিল কাম্য। রেনেসাঁসের মধ্য দিয়ে বিকশিত শিল্প-সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদের লক্ষ্য ছিল পৃথিবীকেই স্বর্গে উন্নীত করা। রেনেসাঁস ছিল পশ্চিম-ইউরোপভিত্তিক। ক্রমে তা ইউরোপে ও অন্যান্য মহাদেশে সব জাতির মধ্যে বিভিন্ন ভাষায়, বিভিন্ন নামে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলা ভাষার দেশে উনিশ শতকের প্রথম পাদে রামমোহনের (১৭৭২-১৮৩৩) চিন্তা ও কর্মের মধ্য দিয়ে সূচিত হয়েছিল রেনেসাঁস। তাতে প্রথমে হিন্দু সমাজ পরে মুসলিম সমাজ জাগ্রত হয়েছিল। একাত্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত কালে ঢাকাকেন্দ্রিক জাতীয় সংস্কৃতিতেও জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতে বহমান ছিল রেনেসাঁসের স্পিরিট। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে সার্বিক বিশৃঙ্খলার মধ্যে সে ধারা ক্ষীয়মাণ হয়ে পড়ে। তবে বাংলাদেশে ও পশ্চিম বাংলায় কিছু লেখকের চেতনায় রেনেসাঁসের স্পিরিট বহমান আছে।

উঁচুনিচু-আঁকাবাঁকা পথ ধরে চৌদ্দ শতক থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত ইউরোপে রেনেসাঁসের স্পিরিট কার্যকর ছিল। উনিশ শতকের শেষে ইউরোপ-আমেরিকার বৃহত্ শক্তিবর্গ যখন কর্তৃত্ব বিস্তারের ও উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতায় মত্ত হয়ে সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলে, তখন তাতে দেখা দেয় ভাটা এবং তা দ্রুত ক্ষয় পেয়ে যেতে থাকে। ক্রমে অপশক্তি শুভশক্তিকে স্থানচ্যুত করে। ওই সময়েই সংঘটিত হয় দুই বিশ্বযুদ্ধ ও আনুষঙ্গিক নানা ঘটনা। যুদ্ধের ও আনুষঙ্গিক ঘটনাবলির অভিঘাতে মানুষের জীবনোপলব্ধি ও চিন্তাচেতনা বদলে যেতে থাকে। সে অবস্থায় কাউন্টার রেনেসাঁস রূপে প্রথমে শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রচারিত হয় আধুনিকতাবাদ (modernism) ও পরে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সব শাখায় প্রচারিত হয় উত্তরাধুনিকতাবাদ (postmodernism)। আধুনিকতাবাদ ও উত্তরাধুনিকতাবাদকে বুঝতে হবে এসব নিয়ে আন্দোলনকারীদের দেওয়া অর্থ দিয়ে। শব্দগত অর্থ আর মতবাদগত অর্থ এক নয়। আধুনিকতাবাদীরা ও উত্তরাধুনিকতাবাদীরা রেনেসাঁসের বিরুদ্ধে কোনো ঘোষণা না দিয়ে কাজ করে চলেন রেনেসাঁসকে শেষ করে দেওয়ার জন্য। আধুনিকতাবাদের মর্মে ছিল নৈরাশ্যবাদ ও কলাকৈবল্যবাদ; আর উত্তরাধুনিকতাবাদ নেতিবাদী ও শূন্যবাদী। মানব জাতির উন্নত ভবিষ্যত্ সৃষ্টি নিয়ে আশাভঙ্গের প্রত্যক্ষ কারণ হয়েছে দুই বিশ্বযুদ্ধ। আর নৈরাশ্যবাদী ও শূন্যবাদী চিন্তার উদ্ভবের কারণ হয়েছে অন্যায়-অবিচারকে প্রতিকারহীন ভাবা এবং উন্নত ভবিষ্যত্ নিয়ে আশাভঙ্গ, হতাশা। মানুষের প্রতি মানুষের বিশ্বাস কমে গেছে, সামাজিক সংহতি দুর্বল হয়ে পড়েছে, বেড়ে গেছে সামাজিক বিযুক্তি।

এই বাস্তবতায় চাই নতুন রেনেসাঁস। নতুন রেনেসাঁস নিয়ে চিন্তাভাবনা দরকার। সংগঠিত প্রচেষ্টা দরকার। স্বতঃস্ফূর্তভাবে হবে না। আগেকার রেনেসাঁসের লক্ষ্য ছিল মধ্যযুগের সংস্কার-বিশ্বাস, ভ্রান্তি ও অন্ধকার অতিক্রম করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য অবলম্বন করে সভ্যতার ধারায় প্রগতির পথ ধরে এগিয়ে চলা ও উন্নততর নতুন ভবিষ্যত্ সৃষ্টি করে চলা। এখন নতুন রেনেসাঁসের লক্ষ্য হবে আধুনিক যুগের সংস্কার-বিশ্বাস, ভ্রান্তি ও অন্ধকার অতিক্রম করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্য অবলম্বন করে প্রগতির পথ ধরে নতুন সভ্যতার ধারায় এগিয়ে চলা। এই অগ্রযাত্রার চেষ্টার অভাবেই ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘুরছে, মধ্যযুগের পরাজিত সংস্কার-বিশ্বাস ও ভাবধারা পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের নামে অনাচার, যুদ্ধবিগ্রহ, নৈতিক পতন, অপব্যবস্থা, দুর্নীতি ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করতে হবে একালের রেনেসাঁস সাধকদের। প্রত্যেক জাতির বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদেরই বিবেচনার কেন্দ্রীয় বিষয় আজ হওয়া উচিত রেনেসাঁস। ইতিহাসের পশ্চাত্গতি ও তার কারণ এবং আগামীর অভীষ্ট নতুন রেনেসাঁস নিয়ে পরিপূর্ণ গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করতে হবে।

ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯) থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলোপ পর্যন্ত ২০০ বছর মানুষ ছিল পরিবর্তন-উন্মুখ, প্রগতিপ্রয়াসী; এখন মানুষ পরিবর্তনবিমুখ। জনমনে তখন উন্নত ভবিষ্যতের আশা ছিল, প্রগতির উপলব্ধি ছিল। সংকটের গভীর উপলব্ধি ও সংকট অতিক্রম করার প্রবল আকাঙ্ক্ষা—কোনোটাই মানুষের মধ্যে এখন খুঁজে পাওয়া যায় না। মানুষের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। দুর্বল মানুষ চলছে প্রবলের জুলুম-জবরদস্তি মেনে নিয়ে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্বল মানুষ প্রবল হওয়ার চেষ্টা করছে না। পারস্পরিক আস্থা অর্জনে মানুষ বিমুখ। নেতৃত্বের স্বতঃস্ফূর্ত আত্মপ্রকাশ আশা করছে, কিন্তু নেতৃত্ব তৈরি করার দায়িত্ব গ্রহণ করছে না। মানুষ অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করে চলছে। মানুষ কি শুধু খেয়ে-পরে সহায়-সম্পত্তি নিয়ে সব রকমের জুলুম-জবরদস্তি, অন্যায়-অবিচার, মিথ্যা ও প্রতারণা মেনে নিয়ে নীরবে জীবনযাপন করে চলবে? আগ্রাসী সশস্ত্র আক্রমণ ও যুদ্ধের এবং ব্যাপক গণহত্যার প্রতিবাদ পর্যন্ত করছে না মানুষ। নতুন প্রযুক্তির পরিমণ্ডলে মানুষ কি তার আচরণ ও প্রকৃতিকে উন্নত করতে—নৈতিক চেতনাকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে না? বিভিন্ন জাতির উত্থান-পতনের ইতিহাস স্মরণ করে বলা যায়, অবস্থা এ রকম থাকবে না, আবার মানুষ পরিবর্তনে, প্রগতিতে আগ্রহী হবে—একসময় পরিবর্তনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠবে। শোষণ-পীড়ন-প্রতারণা ও বঞ্চনা সহ্য করে কতকাল মানুষ প্রতিবাদহীন ও অসংগঠিত থাকবে? উন্নত অবস্থা সৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। মানুষ চাইলে, চেষ্টা করলে অবশ্যই অবস্থা উন্নত করতে পারবে। প্রগতির সম্ভাবনা অফুরন্ত। পশ্চিমা অপশক্তি ও তার অনুসারীদের মোকাবিলা করে প্রগতিশীল ভাবধারাকে উচ্চে স্থান দিতে হবে। দরকার প্রগতিশীল সংঘশক্তি। বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তির মধ্যে দরকার রেনেসাঁসের স্পিরিট ও সক্রিয়তা।

লেখক : অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Add Comment

Click here to post a comment