খেলা-ধুলা

গোটা দেশ বলেছে, হ্যাপি বার্থডে বিরাট। তা মোটেও ‘হ্যাপি’ ছিল না। জেনে নিন কারণ

imageহ্যাপি বার্থ ডে নয়। সে কী! জন্মদিন আনন্দমুখর নয়? কে বলছেন এমন কথা। জেনে নিন আসল কারণ।

গোটা দেশ বলছে, হ্যাপি বার্থ ডে বিরাট কোহলি। কিন্তু তিনি বলছেন, বিরাট কোহলির জন্মদিনে সবাই হ্যাপি হ্যাপি বলছে বটে কিন্তু তা মোটেও হ্যাপি নয়। এর পিছনে রয়েছে অনেক কষ্ট। মানুষ জন কষ্টটা দেখতে পাচ্ছে না। শুধু ভালোটাই দেখছেন। তাই হ্যাপি বার্থ ডে বলছেন বিরাটকে। কিন্তু তিনি বাকিদের মতো নন।
তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বাকিদের থেকে অন্য। তাই জন্টি রোডস মনে করছেন, গোটা দেশ বিরাট কোহলিকে বলছে বটে হ্যাপি বার্থডে। কিন্তু তা আদৌ হ্যাপি বার্থ ডে নয়। তিনি অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকান জন্টি রোডস রসিকতার আশ্রয়ে বিরাট কোহলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রসিকতা করেই গোটা বিশ্বের কাছে তিনি এই বার্তা দিয়েছেন, বিরাট কোহলির হাসির পিছনে রয়েছে প্রচুর মেহনত। মুখে সবসময়ে ঝুলিয়ে রাখেন হাসি। সামনেটাই সবাই দেখেন। পিছনের মানুষটাকে কেউ চেনেন না। কত পরিশ্রম, কত ঘাম ঝরানো রয়েছে যে পিছনে, সেটা কারোরই জানা নেই। হয়তো জন্টিও জানতে পারতেন না তা। দেখা হল বলেই সব কিছু পরিষ্কার হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার এই লিজেন্ডের কাছে।

বিষয়টা কী? জন্টি কীভাবে বিরাটের পরিশ্রমের মালুম পেলেন? দিল্লি থেকে বিমানে ওঠার সময়ে জন্টি দেখেন সেই বিমানে রয়েছেন বিরাট কোহলিও। সকাল সাতটায় বিমান ছাড়ার কথা ছিল জন্টির। ওই সকালে বিরাটকেও একই বিমানে দেখে জন্টির মনে হয়েছে, ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়কও সকাল সাড়ে চারটে নাগাদ বিছানা ছেড়ে উঠেছেন। তার পরে তৈরি হয়ে বিমান ধরার জন্য বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন ঠিক সময়ে। দিল্লি থেকে বিরাট যাবেন রাজকোট। সেখানে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছেন ভারতের অন্যান্য ক্রিকেটাররা। ঘটনা হল, রাজকোটে বিরাটের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্কা শর্মাও। বিরাটের কেক কাটার ছবি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে। কিন্তু এর পিছনে যে কী কষ্ট রয়েছে, তা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানেন। জন্টি যেমন বুঝতে পেরেছেন।

আরও পড়ুনঃ আলোচিত ‘তুম বিন টু’ সিনেমার আইটেম গান ফাঁস (ভিডিও)

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment