slider লাইফ স্টাইল

গালাগালিতে কে এগিয়ে; নারী না পুরুষ?

22নারী নাকি পুরুষ? বেশি কথা বলায় কে বেশি এগিয়ে আছে- এই বিতর্কের কোন মীমাংসা আজও না হলেও বিজ্ঞানীরা একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, মেজাজ হারিয়ে গালাগালের ব্যাপারে পুরুষের চেয়ে মেয়েরা অনেক এগিয়ে। দীর্ঘ সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাদের মতে, রাগ করে কুৎসিত ভাষা প্রয়োগে পুরুষের তুলনায় নারী কয়েক কদম এগিয়ে।

নব্বইয়ের দশকে করা সমীক্ষায় দেখা যায়, তখনকার একটি চলতি গালাগালি পুরুষের তুলনায় মহিলারা প্রায় চারগুণ বেশি ব্যবহার করেছেন। আবার একই দশকেই দেখা গেছে, গালাগালির তালিকায় নতুন যোগ হওয়া একটি শব্দ প্রতি দশ লক্ষ শব্দের মাঝে পুরুষরা ১০০০ বার ব্যবহার করেছেন, আর নারীরা মাত্র ১৬৭ বার। কিন্তু পরের দুই দশকে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে শব্দটির ব্যবহার বেড়ে যায়।

ল্যাঙ্কাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসের যৌথ গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষ ও নারীর মধ্যে, সমকালে শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনও পার্থক্য থাকছে না। গবেষণার নেতৃত্ব দেয়া অধ্যাপক টোনি ম্যাকএনারির মতে, মহিলাদের কটূভাষী হওয়ার পিছনে পুরুষই দায়ী। ৯০’র দশকে প্রকাশ্যে গালাগালি দেওয়াকে ফ্যাশনের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন পুরুষরা। এই আচরণে সংক্রামিত হয়ে এবং পুরুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আধুনিক নারীরা অজান্তেই বদভ্যাসটি রপ্ত করে ফেলেন।

২০১৪ সালে পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, প্রতি দশ লক্ষ শব্দ ব্যবহারের সময় একটি বিশেষ গালাগালি মহিলারা বলেছেন ৫৪৬ বার আর পুরুষরা ৫৪০ বার। ভাষাবিজ্ঞান সম্পর্কিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, যারা কথাবার্তায় স্মার্ট তাদের মধ্যে গালাগালি দেওয়ার অভ্যাস তুলনামূলক বেশি। শব্দ প্রয়োগ, ভাষার দখল এবং চটজলদি প্রশ্নের জবাব দিতেও অন্যদের তুলনায় তারা অত্যন্ত দক্ষ। এত গুণের মধ্যে গালাগালিটাই দোষের বৈকি।

ভিডিওঃ পৃথিবীর কয়েকটি দুর্ধর্ষ ডাকাতি ! দেখুন কিভাবে মুহূর্তের মধ্যে সব নিয়ে গেল। (ভিডিও)

Add Comment

Click here to post a comment