আন্তর্জাতিক

গরমকালেও মঙ্গোলিয়ার তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

চেঙ্গিস খানের দেশ হিসেবে পরিচিতি মঙ্গোলিয়ার অবস্থান মধ্য এশিয়াতে। সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিকভা‌বে গুরুত্বপূর্ণ দেশটির রাজধানী ওলানবাটের গোড়াপত্তন হয় ১৬৩৯ সালে। মঙ্গোলিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির মূল কেন্দ্র মূলত রাজধানী উলানবাটর। রাশিয়া এবং চীনের পাশ্ববর্তী দেশ মঙ্গোলিয়ার বেশির ভাগ লোক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।

মঙ্গোলিয়ার রাজধানী ওলানবাটোর পৃথিবীর শীতলতম শহর। ১৩ এবং ১৪ শতকের মঙ্গোল সাম্রাজ্যের কুখ্যাত প্রতিষ্ঠাতা চেঙ্গিস খানের মূর্তি এখানে এখনো সমুজ্জ্বল। রয়েছে চেঙ্গিস খানের নামে বিমান বন্দরও। এছাড়াও উলানবাটোর জাতীয় জাদুঘর, ঐতিহাসিক এবং হস্তশিল্প যাদুঘর মঙ্গোলিয়র উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য। এখানে প্রতিবছর সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয় দেশসেরা সুন্দরী ‘মিস মঙ্গোলিয়া’।

পৃথিবীর শীতলতম দেশের মধ্যে মঙ্গোলিয়া অন্যতম। প্রচণ্ড ঠান্ডা, এখানে বরফ পড়ে। গরমকালে এই দেশের তাপমাত্রা থাকে ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভেবে দেখুন গরমকালেই এই তাপমাত্রা। তবে শীতকালে কখনও তাপমাত্রা নেমে -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও চলে যায়।

মঙ্গোলিয়ায় শীতের পরিমাণ খুব একটা কম নয়। আমরা যারা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের বাসিন্দা, তাদের জন্য সেখানে থাকাটা খুব কষ্টকরও বটে। এখানে মাঝে মাঝে পারদের বিন্দু নেমে যায় শূন্য ডিগ্রিরও নিচে। এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাসে এখানে তাপমাত্রা থাকে বরফ বিন্দু থেকে কিছু উপরে। এবার নিজেরাই ভেবে দেখতে পারেন শীতকালে তাপমাত্রা কতটা অসহনীয় পর্যায়ে যেতে পারে।