slider জাতীয় রাজনীতি

খালেদা জিয়া দেশে এলেই রুপরেখা চূড়ান্ত হবে

রাকিব মণ্ডল: বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া দেশে আসার পর নির্বাচন কমিশনে প্রস্তাব দেয়ার জন্য সহায়ক সরকারের রুপরেখা চূড়ান্ত হবে। বিএনপির একাধিক নেতার সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ প্রসেঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সম্পাদক জুম বাংলাকে বলেন, আমরা মোটামুটি একটা দাড় করিয়েছি। এটা চূড়ান্ত হবে ম্যাডাম দেশে আসার পর।

সহায়ক সরকারের রুপরেখা প্রসঙ্গে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জুম বাংলাকে বলেন, বিএনপি দলীয় সরকারের বাইরে সকলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন চায়। সেটার জন্য একটি রুপরেখা প্রস্তুত করছে।

নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য কারা কারা মাঠে থাকবেন সে বিষয়েও প্রস্তাবে থাকতে পারে বলে একাধিক নেতা জুম বাংলাকে জানিয়েছেন।

বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী নাকচ করে দেয়ার পর সহায়ক সরকারের রুপরেখা কেমন হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির একজন ভাইস চেয়ারম্যান জুম বাংলাকে বলেন, এই দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ছিল। এই দেশ বাকশাল সরকার দেখেছে, সামরিক সরকার দেখেছে এবং এই দেশ তত্ত্বাবধায়ক সরকারও দেখেছে। তার মানে সংবিধানের কথা বলে বা সংবিধানের দোহাই দিয়ে লাভ নেই।

তবে সরকারের বর্তমান রাজনৈতিক, প্রশাসনিক অবস্থা, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের ব্যপারে বন্ধু রাষ্ট্রদের অবস্থান বিবেচনা করে সহায়ক সরকারের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির এক নেতা জুম বাংলাকে বলেন, দেখুন সরকার যেসব বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করে তারা আজ তার পাশে নেই। ভারত, রাশিয়া এবং চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে আওয়ামী লীগের পাশে দাড়ায়নি। তার মানে আমরা আমাদের দাবী উত্থাপনের পর চাপ প্রয়োগ করতে পারলে সরকার মেনে নিতে বাধ্য হবে।

চূড়ান্ত রুপরেখা কবে তৈরি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব জুম বাংলাকে বলেন, ম্যাডাম দেশে আসার পরই এটা চূড়ান্ত হবে। তবে এই প্রস্তাবে যে মূল বক্তব্য থাকছে, দলীয় সরকারের বাইরে একটি সরকারের অধীনে একটি নির্বাচন। সেটা নির্বাচনকালীন সরকার হোক, সহায়ক সরকার হোক কিংবা তত্ত্বাবধায়ক যে নামেই হোক না কেন এমন একটি সরকারের অধীনে নির্বাচন, যারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে পারবে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে গুলশানে সর্বশেষ বিএনপি সিনিয়র নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে নির্বাচন কমিশনে দেয়ার জন্য প্রস্তাব এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশে ফিরতে দেরি হলে বিএনপি নির্বাচন কমিশনের কাছে সময় চাইবে কিনা সে বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।