খেলা-ধুলা

কে হবেন মাশরাফি বিন মুর্তজার উত্তরসূরি?

hসাকিব আল হাসান না ড্যারেন স্যামি, কে হবেন মাশরাফি বিন মুর্তজার উত্তরসূরি?

ঢাকা ডিনামাইটস ও রাজশাহী কিংস বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরের শিরোপা লড়াইয়ে নামার আগে ক্রিকেটমোদীদের মধ্যে এ নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

মাশরাফি আগের তিন আসরেই বিপিএল চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক ছিলেন। আজ ফাইনালে ঢাকা ডিনামাইটসকে নেতৃত্ব দিবেন সাকিব আল হাসান। রাজশাহী কিংসের নেতৃত্বে থাকছেন ড্যারেন স্যামি। সঙ্গতকারণেই মাশরাফি এবার ফাইনালে নেই বলে নতুন চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক পাবে বিপিএল।

বিপিএলের আগের তিন আসরের ফাইনালেই কম-বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। আগের ফাইনালগুলোর দুটিই জিতেছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স। সর্বশেষ ফাইনাল জয়ী দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

২০১২ : বিপিএলের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স। বরিশাল বার্নার্সকে আট উইকেটে হারিয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। প্রথমে ব্যাট করে বরিশাল সাত উইকেটে ১৪০ রান করেছিল। অধিনায়ক ব্র্যাড হজ ৫১ বলে অপরাজিত ৭০ রান (৪ চার, ৪ ছয়) করেছিলেন। আহমেদ শেহজাদ ২৮, মুমিনুল হক ১১, ফরহাদ হোসেন ১১ রান করেছিলেন। ঢাকার পক্ষে শহীদ আফ্রিদি ২৩ রানে তিনটি, নাভিদ উল হাসান ২৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন।

ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ১৫.৪ ওভারে দুই উইকেটে ১৪৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল। ইমরান নাজির ৪৩ বলে ৭৫ রান (৬টি করে চার ও ছয়) করেছিলেন। এনামুল হক বিজয় অপরাজিত ৪৯ রান (৫টি চার, ১ ছয়) করেছিলেন ৩৮ বলে। ২৬ বল আগে আসা জয়ে ইমরান নাজির ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন।

২০১৩ : বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে শিরোপা ধরে রেখেছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স। ফাইনালে চিটাগং কিংসকে ৪৩ রানে হারায় মাশরাফি বাহিনী। প্রথমে ব্যাট করে নয় উইকেটে ১৭২ রান করেছিল ঢাকা। এনামুল হক বিজয় ৩৬ বলে ৫৮ (৬ চার, ২ ছয়), সাকিব আল হাসান ৪১, মোহাম্মদ আশরাফুল ২৪ রান করেন। চিটাগংয়ের পক্ষে রুবেল হোসেন ৪৪ রানে চারটি, তাসকিন আহমেদ ও দিলহারা লকুহেটিগে দুটি করে উইকেট নিয়েছিলেন।

চিটাগং কিংস ১৭৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৬.৫ ওভারে ১২৯ রানে অলআউট হয়ে যায়। জ্যাসন রয় ৪০, অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪৪, নুরুল হাসান ১৪ রান করেছিলেন। ঢাকার পক্ষে আলফানসো থমাস ১৯ রানে ও মোশাররফ হোসেন ২৬ রানে তিনটি করে উইকেট নিয়েছিলেন। ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন মোশাররফ হোসেন।

২০১৫ : আর্বিভাবেই বিপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মাশরাফির দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ফাইনালে বরিশাল বুলসকে তিন উইকেটে হারিয়ে। বরিশাল প্রথমে ব্যাট করে চার উইকেটে ১৫৬ রান করেছিল। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ৪৮, শাহরিয়ার নাফিস ৪৪, সেকুগে প্রসন্ন ৩৩ রান করেছিলেন। কুমিল্লার পক্ষে ড্যারেন স্টিভেন্স, মাশরাফি, জায়েদি ও কুলাসেকেরা নিয়েছিলেন একটি করে উইকেট।

সাত উইকেটে ১৫৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় কুমিল্লা। ২৮ বলে পাঁচটি চারে অপরাজিত ৩৯ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলেছিলেন অলক কাপালি। ইমরুল কায়েস ৫৩, আহমেদ শেহজাদ ৩০, জায়েদি ১৬ রান করেছিলেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছিলেন বরিশালের মাহমুদউল্লাহ ও কেভন কুপার। অলক কাপালি ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন।

ভিডিও:দুর্গম এলাকা যেখানে হাঁটা চলা দায় সেখানে এয়ারপোর্ট! দিব্যি ওঠানামা করছে বিমান কিভাবে সম্ভব দেখুন ভিডিও

Advertisements

Add Comment

Click here to post a comment